নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুক্রবার সারাটা দিন মুর্শিদাবাদ জেলায় কাটালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। লোকসভার আগে এই জেলাকে সাংগঠনিক ভাবে দুই ভাগে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া শিবির। একটি, বহরমপুর। অন্যটি, মুর্শিদাবাদ। এদিন মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা কার্যালয়ের উদ্বোধন করলেন সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি, অংশ নিলেন আমার মাটি আমার দেশ কার্যক্রমে। দিন শেষ হল বহরমপুরের টেক্সটাইল মোড় জনসভার মাধ্যমে। এদিন সুকান্ত মজুমদারকে দেখতে প্রচুর মানুষের জন সমাগম হয় টেক্সটাইল মোড়ে।
আরও পড়ুনঃ প্রতীক্ষার অবসান! রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে আইনে পরিণত মহিলা সংরক্ষণ বিল
মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা কার্যালয় উদ্বোধনের পর সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “আগে মুর্শিদাবাদ ও বহরমপুর একই লোকসভা কেন্দ্র ছিল। এবার বিজেপি এই দুটিকে আলাদা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের নতুন সভাপতি হয়েছেন সৌমেন মণ্ডল। মুর্শিদাবাদে আমাদের কোনও প্রতিনিধি নেই। আগামী দিনে নিশ্চয় থাকবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র আমলে সমস্ত দেশের উন্নতি হচ্ছে। আর আমাদের রাজ্যে একটু পরে হচ্ছে। কারণ, এখানে স্পিড ব্রেকার মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন।”

আজ মুর্শিদাবাদ জেলা কার্যালয় উদ্বোধনের পর রাজা শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণ সুবর্ণতে পৌঁছে যান সুকান্ত মজুমদার। উদ্দেশ্য ছিল, আমার মাটি আমার দেশ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া। এই কার্যক্রম নিয়ে বিগত সময়েও বর্ধমান ও কাটোয়া ঘুরেছেন বালুরঘাটের সাংসদ। বুধবারই মাটি সংগহ করেছেন কাশীরাম দাসের জন্মভিটে থেকে। আজ কর্ণ সুবর্ণ থেকেও মাটি সংগ্রহ করলেন সুকান্ত। এই মাটি ব্যবহার হবে অমৃত উদ্যান তৈরিতে।

মুর্শিদাবাদে সুকান্তকে দেখতে জনজোয়ার, সমস্ত কেন্দ্রীয় সুবিধার আশ্বাস দিলেন রাজ্য গেরুয়া চিফ
শুক্রবার দিনের একদম শেষ লগ্নে বহরমপুরের টেক্সটাইল মোড়ে একটি জনসভা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আর আজ সুকান্ত মজুমদার-কে দেখতে উপচে পড়ে ভিড়। আজ চাঁচাছোলা বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে কিন্তু সংশ্লিষ্ট জেলায় আগামী লোকসভার দামামা বাজিয়ে দিলেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি অভিযোগ তুললেন, অধীর অঞ্জন চৌধুরী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁতাত নিয়ে। বক্তব্যে ধরা পড়ল ভারতের চন্দ্রযান সাফল্য ও জি-২০ সম্মেলনের কথাও।




