ভোট শেষ, এখন নজর গণনায়—আর তার আগেই স্ট্রংরুম ঘিরে বাড়ছে স্নায়ুযুদ্ধ। বিধাননগর কলেজে ইভিএম পাহারা দিতে গিয়ে মুখোমুখি শাসক-বিরোধী শিবির। স্লোগান থেকে হাতাহাতি, অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
ভোটপর্ব মিটতেই রাজ্যজুড়ে স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুমের সামনে শনিবার যে পরিস্থিতি তৈরি হল, তা রাজনৈতিক আবহকে আরও তীব্র করে তুলেছে। ইভিএম ‘পাহারা’ দিতে গিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে শুরু হয় বচসা, যা দ্রুত হাতাহাতিতে গড়ায়।


বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগাতে গেলে উত্তেজনা ছড়ায়। পাল্টা তৃণমূলের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী বিনা প্ররোচনায় তাদের কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ করে। এই ঘটনাকে ঘিরে কয়েক দফায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। মাইকিং করে জমায়েত সরানোর চেষ্টা করা হয় এবং পরে ব্যারিকেড দিয়ে দুই পক্ষকে আলাদা করা হয়। তবুও উত্তেজনার পারদ কমতে সময় লাগে।
স্ট্রংরুম ঘিরে এই অশান্তি নতুন নয়। ভোট মেটার পর থেকেই ইভিএমে কারচুপির আশঙ্কা তুলে সরব হয়েছে শাসক দল। এরই মধ্যে Mamata Banerjee নিজে হাজির হন ভবানীপুরের গণনাকেন্দ্র শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুমে এবং সেখানে নজরদারিতে বসেন।


শুধু ভবানীপুর নয়, কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমের সামনেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। সেখানে তৃণমূলের কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা, তাপস রায় সহ বিজেপি প্রার্থীদের মধ্যে বচসা বাধে।
দুই পক্ষই তাদের কর্মীদের স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে। ফলে ভোটগণনার আগে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা যে আরও বাড়বে, তা বলাই যায়।







