নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধিনিষেধে ছাড় মিললেও কড়া হাতে একাধিক বিষয়ের রাশ ধরে রাখছে রাজ্য সরকার। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বাংলায় প্রকোপ ফেলার পরেই এক কথায় লকাডাউন জারি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিএ দিনে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকায় আলগা করেছেন নিয়ম কানুনে।
আরও পড়ুনঃ একই দিনে পরপর করোনার দুই ডোজ, সুপার স্পেশ্যালিটিতে ভর্তি মহিলা
একে একে খুলেছে অফিস-কাছারি, পরিবহনের স্বার্থে শর্ত সাপেক্ষ চালু হয়েছে বাস মেট্রো। তবে ছাড় মেলেনি লোকাল ট্রেনের। রাজ্যের কোভিড গ্রাফ দিনে দিনে নামলেও চোখ রাঙাচ্ছে তৃয়ীয় ঢেউ। গবেষকরা বারবার সতর্ক করছেন গোটা দেশকে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এখনই রাজ্যের সব রাশ আলগা করতে চায়না প্রশাসন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন কিভাবে সেই নিয়ে গতকাল জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। স্যানিটাইজার থেকে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং সব নিয়ে বারবার সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার পরেই আজ ফের বৈঠক বসে কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনায়।
বিধিনিষেধে ছাড় মিললেও কড়া নাইটকার্ফু বাংলায়, কড়াকড়ি কোভিড গাইডলাইনে।

রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী জানিয়েছেন রাজ্যের করোনা মোকাবিলার গাইডলাইন অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে সকলকে। বিধিনিষেধে ছাড় মিললেও কড়া নাইটকার্ফু বাংলায়, জানান হয়েছে রাত ৯ টা থেকে সকাল ৫ টা পর্যন্ত রাস্তায় ঘোরা যাবেনা বিনা কারনে। আগে থেকেই জারি ছিল নাইট কার্ফুর এই নিয়ম।
ফের সেদিকে কড়া নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বলেছেন নিয়ম না মিললে দিতে হবে মোটা অঙ্কের ফাইন। একই সঙ্গে বলা হয়েছে নিয়মে ফাঁকি দিয়ে রাস্তা ঘাটে মাস্ক ছাড়া ঘুরে বেরালেও দিতে হবে ফাইন। মেনে চলতে হবে কোভিড বিধি-সামাজিক দূরত্ব। জোর দিতে হবে রাজ্যের হাসপাতাল গুলির পরিকাঠামোতে। প্রয়োজনে আইসিডিএস কর্মীরা সাধারণ মানুষদের বোঝাবেন কোভিড গাইডলাইন। বাড়াবেন সচেতনতা। ।



