নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত অয়ন শীলের ফ্ল্যাট থেকে পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির হদিশ পেয়েছিল সিবিআই। সিবিআইয়ের পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তের নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য। সোমবার সেই মামলাটির শুনানি হবে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে।
আরও পড়ুনঃ Sachin Tendulkar: ৫০ শে সচিন, জন্মদিনে ফিরে দেখা তাঁর অনন্য রেকর্ড
সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি শিক্ষক ও অশিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়ন শীলের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। অয়ন শীলের একাধিক ঠিকানা থেকে উদ্ধার হয় পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির তথ্য। সেই সমস্ত তথ্যকে সামনে রেখে সিবিআইকে পুরসভায় তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতির নির্দেশ ছিল, প্রয়োজনে নতুন এফআইআর দায়ের করে তদন্ত করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ২৮ তারিখের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল।

হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে ২০০ কোটির হদিশ পেল ইডি। ধৃত অয়ন শীল শুধুমাত্র পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে ২০০ কোটি টাকা তুলেছিলেন বলে ইডি সূত্রে খবর। এ কথা অয়ন জেরায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। রাজ্যের প্রায় সবকটি পুরসভায় নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলে আশঙ্কা ইডির।
বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ, পুরসভায় নিয়োগ তদন্ত নিয়ে জটিলতা

পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডির কলকাতা জোনাল অফিসের অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর মিথিলেশকুমার মিশ্র ওই রিপোর্ট আদালতে জমা দেন। আপাতত কাঁচড়াপাড়া, নিউ ব্য়ারাকপুর, কামারহাটি, বরানগর, টিটাগড়, হালিশহর পুরসভা রয়েছে ইডির স্ক্যানারে। এছাড়া আরও ৩০ টি পুরসভার তথ্য নিয়েও নাড়াচাড়া করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। উঠে এসেছিল একাধিক পুরসভার নাম। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য।



