নজরবন্দি ব্যুরোঃ অক্সিজেনের আকাল, গোটা দেশের সঙ্গে বাংলাতেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বাড়ছে অক্সিজেনের চাহিদা। রাজ্যের তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এই মুহুর্তে তাঁর প্রথম কাজ রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা। সেই মতো রাজ্যে অক্সিজেনের ঘাটতি সহ একাধিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ বিধ্বস্ত গোটা দেশ, ফের বাড়ল আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা


বাংলায় হুহু করে বাড়ছে সংক্রমণ। এই মুহুর্তে দেশের মধ্যে আক্রান্তের নিরিখে বাংলা নবম স্থানে কিন্তু সংক্রমণের নিরিখে তৃতীয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় সকল জায়গায় বাড়ানো হয়েছে কোভিড বেড। তৈরি হচ্ছে একাধিক সেফ হোম। বিভিন্ন জায়গায় বসছে অক্সিজেন প্লান্ট। তা সত্বেও রাজ্যে সংক্রমণের নিরিখে কম পড়ছে অক্সিজেন। অক্সিজেন চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেও এখনো উত্তর আসেনি তার।
অক্সিজেনের আকাল, সেই কারণেই অক্সিজেনের সমবন্টন এবং পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য রাজ্য সরকারের তরফ থেকে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, কোভিড রোগীদের ৯২-৯৬ % অক্সিজেন স্যাচুরেশন রাখতে হবে। আক্রান্ত রোগীর ৯৬% স্যাচুরেশন হয়ে গেলেই আর অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন নেই, তার মানেই এখন সুস্থ আছেন রোগী। রাজ্যের সকল হাসপাতাল-নার্সিংহোম গুলিতে কোভিড চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং অক্সিজেন মজুত সুনিশ্চিত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এই পুরো বিষয়টি দেখভালের জন্য দায়িত্বে থাকবেন একজন সহকারী সুপার। স্বাস্থ্য দফতরের নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অক্সিজেন নার্সিং ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বও প্রতিটি হাসপাতালকে নির্দিষ্ট করতে হবে, সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই দায়িত্বে থাকবেন একজন নার্স।










