আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডে তোলপাড় গোটা দেশ। বিচারের দাবি চেয়ে রাস্তায় নেমেছে ডাক্তার থেকে আইনজীবী, শিল্পী থেকে বুদ্ধিজীবী, সকলে পথে নেমেছেন। এবার সেই বিচারের দাবি চেয়েই পথে নামলো বিজেপি। কলকাতা হাই কোর্টের সম্মতিতে শ্যামবাজারে আজ থেকে ৫দিনের ধর্নায় বিজেপি। সেই ধর্নায় হাজির গেরুয়া শিবিরের সাংসদ-বিধায়করা। আর এদিন ধর্না মঞ্চ থেকে বিস্ফোরক দাবি করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন,”বাঙালি হিসেবে বাইরে পরিচয় দিতে পারছিনা”।
কোর্টের সম্মতিতে শ্যামবাজারে আজ থেকে ৫দিনের ধর্নায় বিজেপি। হাজির গেরুয়া শিবিরের সাংসদ-বিধায়করা। বিকেলে মৌলালিতে প্রতিবাদ মিছিলে হাঁটবেন শুভেন্দুরা। তবে তাঁর আগে মঞ্চ থেকে একের পর এক রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থার উপর প্রশ্ন তুলে আক্রমণ সানালেন শুভেন্দু অধিকারী তিনি বলেন,”রাজে যে বেদনা দায়ক ঘটনা ঘটেছে তা সমাজে এক কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। আমরা বাঙালি হিসেবে বাইরে পরিচয় দিতে পারছিনা। বাইরের রাজ্যে গিয়ে বলতে পারছিনা আমরা কলকাতা থেকে এসেছি। আমাদের লজ্জায় মাথা হেট হয়ে গিয়েছে সমগ্র সমাজে এবং পশ্চিমবঙ্গে।” এরপর পাকিস্তান প্রসঙ্গ টেনে বলেন,”পাকিস্তান আজ আমাদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব লিখছে”।
এদিকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার লক্ষীবারে স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাওয়ের ডাক সুকান্তর। পাশাপাশি আর জি কর কাণ্ডে বিচার ও কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের নিরাপত্তার দাবিতে কলেজ স্ট্রিটেও মঞ্চ বেঁধে ধর্না। প্রতিবাদে সামিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন পড়ুয়ারা। প্রশ্ন তোলা হয়, আর জি কর হাসপাতালে কী করে বহিরাগতরা ঢুকে অবাধে ভাঙচুর চালাল? কোথায় ছিল পুলিশ? কী করছিল তারা? হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রাজ্য় সরকারকে।
অন্যদিকে আর জি কর হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে পর্যাপ্ত সংখ্য়ক সিআইএসএফ কিংবা সিআরপিএফ থাকবে বলে জানাল আদালত। ভাঙচুরকাণ্ডে ২২ অগাস্টের মধ্যে রাজ্য সরকারের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে সর্বোচ্চ আদালত। হাইকোর্টের নির্দেশে আরজি কর মেডিক্য়াল কলেজে চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের তদন্ত করছে সিবিআই। আর এবার আর জি কর মেডিক্য়াল কলেজের নিরাপত্তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে তুল দিল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ আগেই কলকাতা পুলিশের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট।এবার সেই পুলিশের ওপরই ভরসা রাখতে পারল না সুপ্রিম কোর্টও।



