শ্রাবণ শেষে সবুজ চুড়ি: রাখবেন, দান করবেন নাকি বিসর্জন দেবেন?

শ্রাবণ মাস শেষে সবুজ চুড়ির সঠিক নিয়ম জানলে মিলতে পারে মহাদেব ও মাতা পার্বতীর কৃপা। জানুন জ্যোতিষ শাস্ত্রের পরামর্শ।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

শ্রাবণ মাস, যা মহাদেবের প্রিয় সময় হিসেবে পরিচিত, প্রায় শেষের পথে। এই মাস জুড়ে বহু মহিলা, বিবাহিত ও অবিবাহিত উভয়েই, হাতে সবুজ চুড়ি পরে থাকেন। বিশ্বাস করা হয়, শ্রাবণ মাসে সবুজ চুড়ি পরলে বাবা মহাদেব ও মাতা পার্বতীর বিশেষ আশীর্বাদ লাভ হয়। কিন্তু মাস শেষ হলে এই চুড়িগুলো নিয়ে কী করবেন, তা অনেকেরই অজানা।

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, শ্রাবণ মাস শেষে সবুজ চুড়ি অবহেলায় ফেলে দেওয়া উচিত নয়। বরং কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি মানলে এটি শুভ ফল বয়ে আনতে পারে।

সবুজ চুড়ি খুলে একটি পরিষ্কার ও শুদ্ধ জায়গায় রাখা যেতে পারে। অনেকে এই চুড়িগুলো ভবিষ্যতের কোনো শুভ অনুষ্ঠান বা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে পুনরায় ব্যবহার করেন। এতে কোনো বিধি ভঙ্গ হয় না, বরং তা শুভ বলে ধরা হয়।

শ্রাবণ শেষে সবুজ চুড়ি: রাখবেন, দান করবেন নাকি বিসর্জন দেবেন?

শ্রাবণ শেষে সবুজ চুড়ি: রাখবেন, দান করবেন নাকি বিসর্জন দেবেন?
শ্রাবণ শেষে সবুজ চুড়ি: রাখবেন, দান করবেন নাকি বিসর্জন দেবেন?

আপনি চাইলে চুড়িগুলো একটি মাটির কলসের মধ্যে রেখে ঠাকুরের স্থানে সারা বছর সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। পরের বছরের শ্রাবণ মাসে আবার সেগুলো পরে নিতে পারবেন। যদিও নতুন চুড়ি পরলেও ক্ষতি নেই, পুরনো চুড়িও পুনর্ব্যবহার করা যায়।

এছাড়া, গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়ারও প্রচলন রয়েছে। তবে লক্ষ্য রাখবেন, চুড়ি যেন কখনো আবর্জনার স্তূপে না ফেলা হয়, কারণ এটি অশুভ বলে বিবেচিত হয়।

সবুজ চুড়ি মন্দির বা অন্য কোনো ধর্মীয় স্থানে দান করাও একটি পবিত্র পদ্ধতি। বিশ্বাস করা হয়, এই দান ইতিবাচক শক্তি ফিরিয়ে আনে এবং জীবনে শান্তি বৃদ্ধি করে।

শ্রাবণ মাস শেষ হলেও সবুজ চুড়ি রাখার বা বিসর্জন দেওয়ার নিয়ম মানলে তা কেবল আধ্যাত্মিক দিক থেকেই নয়, সাংস্কৃতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু একটি অলঙ্কার নয়, বরং ভক্তি ও বিশ্বাসের প্রতীক।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন