নজরবন্দি ব্যুরো: ১১ মাসের প্রতীক্ষার অবসান, দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস পর রাজধানী দিল্লিতে খুলে গেল স্কুল। যদিও এখন দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর ক্লাসই চলবে স্কুলগুলিতে। সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনেই স্কুল খোলা হয়েছে বলে খবর। এছাড়া প্র্যাক্টিক্যাল, প্রজেক্ট এবং কাউন্সেলিংয়ের জন্য স্কুলগুলিকে খোলার অনুমতি দিয়েছে দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার। জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল থেকেই দিল্লিতে সমস্ত সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং সাহায্যপ্রাপ্ত নয় এমন সমস্ত স্কুল খুলে গিয়েছে।
আরও পড়ুন: ফের পুরনো ছন্দে মেট্রো, আজ থেকে লাগবে না ই-পাস


উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে এই প্রথম দিল্লিতে স্কুল খুলল। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে চালু দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস। তবে স্কুল খুলে গেলেও, কোভিড বিধি মেনে ক্লাস করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সমস্ত স্কুলকে। পড়ুয়ারাও সতর্ক রয়েছে। এদিন এ বিষয়ে একজন ছাত্র জানিয়েছে, ‘আমরা সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চলবে। সর্বদা সঙ্গে মাস্ক ও স্যানিটাইজার রাখব।’
অন্যদিকে হারকোর্ট বাটলার সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলের প্রিন্সিপাল নীরা রাও জানিয়েছেন, ‘ক্লাসরুমে যেভাবে পঠনপাঠন হয়, অনলাইন ক্লাসে তেমনটা সম্ভব নয়। সিলেবাস কমানো হলেও, বোর্ড পরীক্ষা এগিয়ে আসছে। স্কুল খুলে যাওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের আমরা সাহায্য করতে পারব।”
তবে রয়েছে কিছু বিধিনিষেধ। যেমন স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, পড়ুয়ারা অভিভাবকদের লিখিত সম্মতিপত্র নিয়ে এলে তবেই স্কুলে ক্লাস করতে পারবে। অভিভাবকদের লিখিত সম্মতিপত্র ছাড়া ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস করতে দেওয়া হচ্ছে না। যদিও দীর্ঘ এত মাস পর স্কুল খোলায় বেজায় খুশি পড়ুয়ারা।


১১ মাসের প্রতীক্ষার অবসান, দিল্লির পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশ, অসম, বিহার সহ একাধিক রাজ্য আংশিক ভাবে স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে থাকছে একধিক কোভিড নির্দেশিকা। স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর অনুযায়ী ১) স্কুলে আসতে হলে পড়ুয়াদের লিখিত অনুমতি পত্র আনতে হবে অভিভাবকদের কাছ থেকে। ২) স্কুলে ঢোকার আগে থার্মাল স্ক্যানিং করতে হবে ৩) সর্বদাই ছাত্র ছাত্রীদের পরে থাকতে হবে মাস্ক। যদিও শিক্ষক, কর্মচারী বা পড়ুয়া কারও হাজিরাই বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়েছে।








