নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনার পরবর্তীকালে বেড়েছে স্কুল টেস্টে গরহাজিরের সংখ্যা। এরই মধ্যে টেস্টের উত্তরপত্র দেখে আরও জটিলতা বেড়েছে। পড়ুয়াদের টেস্টের ফলাফল দেখে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারাই। অন্যদিকে, নম্বর বাড়ানোর জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষদের কাছে বারবার অনুরোধ জানাচ্ছেন অভিভাবকরা ৷ বারবার মুখ্যমন্ত্রীর কথাও তুলে ধরছেন তাঁরা। কিন্তু এই অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় বসার ছাড়পত্র দিলে নতুন করে সমস্যা দেখা দেবে?
আরও পড়ুনঃ ১ এর বদলে ৫০, এটা কোনো ভূতের কাজ নয়! বেলাগাম দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়


শিক্ষকদের বক্তব্য, কেউ পেয়েছেন ৫ আবার কেউ পেয়েছেন ১০। অর্থাৎ, পড়ুয়াদের পাশ করাতে গেলে প্রয়োজন ১০ থেলে ১৫ নম্বর। এত নম্বরের জন্য পাশ করানো সহজ কথা নয়। যারা টেস্টে ফেল করেছে, তাদের সন্তানদের পাশ করিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করছেন অভিভাবকরা। বাকি ৩ মাসে নম্বর আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা৷

গত বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে অকৃতকার্যদের ছবি দেখেছিল রাজ্য। পাশ করানোর দাবিতে বারবার ধর্না দিতে দেখা গিয়েছিল পড়ুয়াদের। তাঁদের বক্তব্য ছিল, করোনাকালে সকলকে পাশ করিয়ে দেওয়ার কথা বলা হলে কেন তাঁদের পাশ করানো হবে না? তার ওপর মুখ্যমন্ত্রী এক সভা থেকে বলেন, ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে হাতিয়ার করেছেন পড়ুয়া ও অভিভাবকরা। মুখ্যমন্ত্রী ও পড়ুয়াদের এই মন্তব্যের পরেই সমস্যায় পড়েছেন শিক্ষকরা।
টেস্টেই অধিকাংশ অকৃতকার্য, মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের ভরসা অভিভাবকদের, ফাঁপড়ে স্কুল
শিক্ষকদের আশঙ্কা, টেস্টে অকৃতকার্যদের পাশ করিয়ে দিলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে ফেল করার আশঙ্কা বেশী ৷ তখন অকৃতকার্যদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে বোর্ড ৷ আবার সকলকে পাশ করিয়ে মূল পরীক্ষায় বসতে না দিলেও সমস্যা। তাই এখন উভয় সংকটে পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা।









