জট কাটিয়ে অবশেষে শপথ নিলেন বরানগরের বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভগবানগোলার বিধায়ক রায়াত হোসেন সরকার। টানাপড়েন কাটিয়ে শুক্রবার নজিরবিহীনভাবে বিধানসভাতেই শপথ নিলেন এই দুই বিধায়ক। শপথ বাক্য পাঠ করান বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।
উল্লেখ্য, রাজভবনের তরফে শপথ বাক্য পাঠ করানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। কিন্তু সেই পরিকল্পনা মত কাজ হয়নি। স্পিকারের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও শপথ গ্রহণ করাতে রাজি হয়নি ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই পরে ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধেই এই দুই বিধায়ককে শপথ করান স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।



এরপর দুপুর ২ টো নাগাদ বিধানসভায় বসে বিশেষ অধিবেশন। এবং দুটো ২৪ নাগাদ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। প্রথমে শপথ গ্রহণ করানো হয় ভগবানগোলার বিধায়ক রায়াত হোসেনকে। তারপরই শপথ গ্রহণ করানো হয়, বরানগরের বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শপথ নেওয়ার পরেই এই দুই বিধায়ককে স্বাগত জানা অন্যান্যরা।
কেন বিমান শপথ পড়ালেন সায়ন্তিকাদের? অখুশি বোস নালিশ জানালেন রাষ্ট্রপতিকে!



তবে এখানেই শেষ নয়। শপথ গ্রহণকে ঘিরে ফের শুরু হয়েছে বিতর্ক। ডেপুটি স্পিকার কে শপথ গ্রহণের দায়িত্ব দেয়া হলেও কেন তা পালন করল স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে রাজভবন। স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও এ প্রসঙ্গে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি তিনি কোন নিয়ম ভঙ্গ করেননি।
রুলস অফ বিজনেসের ২ নম্বর অধ্যায়ের ৫ নম্বর ধারা মেনেই তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন তিনি। তবে নজিরবিহীনভাবে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তৃণমূলের বেশ কিছু বিধায়ক থাকলেও উপস্থিত ছিলেন না বিজেপির কোন বিধায়ক।







