আমাদের বাঁচান দিদি! মুখ্যমন্ত্রী’কে কাতর আবেদন ১০ হাজার শিক্ষকের #Exclusive

আমাদের বাঁচান দিদি! মুখ্যমন্ত্রী’কে কাতর আবেদন ১০ হাজার শিক্ষকের #Exclusive

নজরবন্দি ব্যুরোঃ আমাদের বাঁচান দিদি! মুখ্যমন্ত্রী’কে কাতর আবেদন ১০ হাজার শিক্ষকের। বিশ্বজুড়ে করোনার দাপট চলছে, আমাদের দেশ তথা রাজ্যতেও ক্রমশ বাড়ছে সংক্রমনের সংখ্যা। আর এই পরিস্থিতিতে সবথেকে খারাপ অবস্থায় পড়েছেন দিন আনা দিন খাওয়া মানুষজন এবং কম বেতনের বা অস্থায়ী কর্মীরা। সেইরকমই কার্যত অভুক্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন অসংখ্য শিক্ষক। সারা রাজ্যে এই শিক্ষক রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। এই আংশিক সময়ের শিক্ষকদের নিয়োগ করে এবং বেতন দেয় স্কুল কমিটি। বেতন ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। এই পারিশ্রমিকে চাকরি আর বাড়িতে গৃহ শিক্ষকতা করা এই দুইয়ের সংমিশ্রনে সংসার চলে রাজ্যের প্রায় ১০ হাজার পরিবারের।

আরও পড়ুনঃ বাংলা ভাষার পৃষ্ঠপোষক মুখ্যমন্ত্রী! সুর নরম অধীরের।২১’এর জোট বার্তা?

দীর্ঘ লকডাউনে গৃহ শিক্ষকতা এবং স্কুল থেকে পাওয়া সামান্য অর্থ দুটোই বন্ধ।আংশিক সময়ের বিদ্যালয় শিক্ষক সংগঠন(SPTTA) জানিয়েছে, নিজেদের এই দূর্দশা গ্রস্ত অবস্থাতেও তাঁরা চাঁদা তুলে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে অর্থ প্রদান করেছেন। রাজ্যের এই কঠিন দুঃসময়ে তাঁরা প্রায় ১৮ হাজার টাকা দান করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে! সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “সরকার আমাদের আবেদনে সাড়া দেন নি। এই অসুবিধার মধ্যেও আমাদের সংগঠন মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে ১৭ হাজার ৮০০ টাকা দান করেছে।”

আমাদের বাঁচান দিদি! মুখ্যমন্ত্রীকে কাতর আবেদন শিক্ষকদের। আংশিক সময়ের বিদ্যালয় শিক্ষক সংগঠন(SPTTA) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে সরাসরি ইমেইল করে তাঁদের চরম সংকটজনক অবস্থার কথা জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী কে মেইল পাঠিয়ে শিক্ষকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে “আমরা রাজ্যের বিভিন্ন জেলার সরকারি এবং আধা সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে অতি সামান্য পারিশ্রমিকের বিনিময়ে বছরের পর বছর নিষ্ঠার সাথে শিক্ষকতা করে চলেছি।আমাদের কাজের কোনো স্থায়ীত্ব নেই। বর্তমানে বিশ্ব মহামারী করোনার জন্য সারা দেশে লক ডাউন চলছে। এখন আমরা করোনার জন্য গৃহ শিক্ষকতা করাও বন্ধ রেখেছি।

এইরূপ পরিস্থিতিতে আমাদের পক্ষে সংসার চালানো দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। অতি কষ্টের মধ্য দিয়ে আমরা জীবন যাপন করছি। অতএব মহাশয়া আপনি যদি দয়াকরে এই বিশ্ব মহামারীর দুঃসময়ে আমাদের আপৎকালীন সাহায্য প্রদান করেন ও আমাদের স্থায়ীকরনের ব্যবস্থা করেন তাহলে আমরা চরম উপকৃত হব। আশাকরি আপনি এই বিষয়ে সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করবেন”

সংগঠনের  রাজ্য সভাপতি সমীর কুমার দেওঘোরিয়া এবং সহ সভাপতি রামপ্রসাদ বাগ মুখ্যমন্ত্রীকে তিনটি বিষয় নিয়ে দাবি জানিয়েছেন
১) স্থায়ী কর
২) নূন্যতম সাম্মানিক বেতন
৩) আপদ কালীন আর্থিক সহায়তা প্রদান ।
যদিও শিক্ষকদের দাবি তাঁদের সংগঠনের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী,  শিক্ষা মন্ত্রী,  দিদিকে বলো সহ একাধিক জায়গায় আবেদন করা হয়েছে কিন্তু কোনো উত্তর পাওয়া যায় নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x