ক্যান্সার মুক্ত সঞ্জয়, সেই দিনের কথা গুলো বলতে গিয়ে অকপট বাবা

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সঞ্জয় দত্ত বলিউড হিন্দি ছবির জগতে এক উজ্জ্বল তারকা। বাবা সুনীল দত্ত ও মা নার্গিসের একমাত্র পুত্র সন্তান ছিলেন এই বলিউড তারকা। আগে পিছে দুই বোন। ছোটবেলা থেকেই সঞ্জয় দত্তের বেড়ে ওঠা এবং তার জীবন যাপন একজন বলিউড স্টারের কিডস এর মতই। তারপরে আস্তে আস্তে অসৎ সঙ্গে পড়ে জীবনটাকে নেশার দুনিয়ায় বিলিয়ে দেওয়া। তারপরে ফের ফিরে আসা।

আরও পড়ুনঃ পঞ্জাবকে ১-০ গোলে হারিয়ে, সন্তোষ ট্রফি অভিযান শুরু বাংলার

হিন্দি ছবির জগতে তাঁর আবির্ভাব এবং বিভিন্ন বিতর্কে দেশদ্রোহী, অস্ত্র মামলা ফের তিনি জেলে। সেখানে বেশ কয়েক বছর কারাবাস এবং যুদ্ধ করে মুক্ত হয়ে ফিরে আসা। সুনীল নার্গিসের সন্তান সঞ্জয়ের জীবনটা মোটেই সেই অর্থে সুখকর ছিল না। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যু। দ্বিতীয়বার বিয়ে করা সবকিছু নিয়েই ছিল তার জীবন। এইরকম জীবনে ফের আরো এক সংকট এসেছিল সঞ্জয়ের সামনে। তাহলো মারণ রোগ ক্যান্সার।

ক্যান্সার মুক্ত সঞ্জয়, সেই দিনের কথা গুলো বলতে গিয়ে অকপট বাবা
ক্যান্সার মুক্ত সঞ্জয়, সেই দিনের কথা গুলো বলতে গিয়ে অকপট বাবা

এখন অবশ্য তিনি ক্যান্সারমুক্ত। আর সেই দিন গুলো নিয়েই এবার অকপট সঞ্জুবাবা। সঞ্জয় দত্তের ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়ে। কিভাবে তা জানালেন সঞ্জয়। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করেই একদিন বাড়ির সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠছিলাম কিন্তু বুঝতে পারলাম প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট হচ্ছে তার সাথে হাঁপানি কি করব ভেবে উঠতে পারছিলাম না। তৎক্ষণাৎ ডাক্তারকে ফোন করি। এক্সরে হয়, দেখা যায় আমার অর্ধেক ফুসফুসেই জল।

ক্যান্সার মুক্ত সঞ্জয়, সেই দিনের কথা গুলো বলতে গিয়ে অকপট বাবা
ক্যান্সার মুক্ত সঞ্জয়

ভেবেছিলাম টিবি হয়েছে। কিন্তু পরে জানতে পারি টিবি নয়, আমি ক্যান্সারে আক্রান্ত। এই খবরটা শোনার পর খুব কেঁদেছিলাম। কি করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। পরিবারকে কিভাবে জানাবো সেটাও বুঝতে পারছিলাম না। কষ্ট হচ্ছিল বউ দুটো ছোট ছোট সন্তানের জন্য’।

ক্যান্সার মুক্ত সঞ্জয়, সেই দিনের কথা গুলো বলতে গিয়ে অকপট বাবা

এরপর সঞ্জয় বলেন, ‘প্রথমে ভেবেছিলাম চিকিৎসার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাব। কিন্তু ভিসা পায়নি। তারপরে রাকেশ রোশন আমায় ডাক্তারের সন্ধান দেন। সবাই বলেছিল কেমোথেরাপি চলাকালীন চুল উঠে যাবে। হতে পারে বমিও। আর এই গোটা ব্যাপারটা আমার কাছে ছিল একটা চ্যালেঞ্জের’।

ক্যান্সার মুক্ত সঞ্জয়, সেই দিনের কথা গুলো বলতে গিয়ে অকপট বাবা

তিনি আরো বলেন, ‘কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সাইকেল চালিয়েছি। এখনও ভাবতে অবাক লাগে কেমো নিতে যখন দুবাই যেতাম সেখানে ব্যাডমিন্টন কোর্টে দুই তিন ঘন্টা ধরে ব্যাডমিন্টন খেলছি। সেই দিনগুলির কথা মনে পড়লে আজও শিউরে উঠি। তবে এখন আমি ক্যান্সারমুক্ত। অভিনয় ফিরেছি। জিম জয়েন করেছি, ফলে ওজন অনেকটাই কমেছে। আবার নতুন নতুন কাজও শুরু করেছি। তবে এখনো মাঝে মাঝে সেই দিনগুলির কথা খুব মনে পরে বললেন সঞ্জয়’।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন