বলিউডের সুপারস্টার সলমন খান সম্প্রতি একাধিক প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন। গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই এবং তাঁর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে এই হুমকির অভিযোগ উঠেছে। কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় সলমনের নাম জড়ানোর পর থেকেই বিষ্ণোই সমাজ তাঁকে শত্রু বলে মনে করছে। এই মামলার কারণেই অতীতে থানায় যেতে হয়েছিল সলমনকে, যা নিয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
সলমন খানের এক পুরনো ভিডিও বর্তমানে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ‘বিগ বস’-এ সেই ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি শেয়ার করেন। তিনি বলেন, “আমার আগের ক্লিপিং দেখলে মনে হতে পারে আমি অহংকারী। কিন্তু আমি এতে জড়িত ছিলাম না, তাই ভয় পাইনি। তবে কোনও পদস্থ ব্যক্তিকে সম্মান জানানো উচিত ছিল।”


সলমনের বক্তব্যে উঠে এসেছে তাঁর তরুণ বয়সের ভুলের কথা। তিনি স্বীকার করেছেন, তখনকার সময় নিজের আচরণ নিয়ে এখন তাঁর আফসোস হয়। ১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং চলাকালে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে সলমন খানসহ সইফ আলি খান, সোনালি বেন্দ্রে, তাব্বু এবং নীলমের বিরুদ্ধে। বিষ্ণোই সমাজ কৃষ্ণসার হরিণকে ইশ্বরজ্ঞানে পুজো করে। এই ঘটনার পর থেকেই বিষ্ণোই গ্যাং সলমনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে।
সলমনের বাড়িতে গুলিবর্ষণ এবং প্রাণনাশের হুমকির পিছনেও বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ।হুমকির পর সলমন খানের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বলিউডের এই ‘সুলতান’ এখন বাড়তি নিরাপত্তার মধ্যে রয়েছেন। তবে এমন পরিস্থিতিতেও তিনি তাঁর পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন এবং পুরনো ভুল নিয়ে খোলাখুলি মত প্রকাশ করেছেন।







