কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় ফের বিপাকে সইফ-তাব্বু, রাজস্থান সরকারের হাই কোর্টে চ্যালেঞ্জ

‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং চলাকালীন কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার ঘটনায় বেকসুর খালাস হলেও ফের আদালতের মুখোমুখি সইফ, তাব্বু সহ অন্যান্য তারকারা

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

দুই দশক পেরিয়ে গেলেও পিছু ছাড়ছে না কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার ‘অভিশাপ’। ১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং চলাকালীন যোধপুরে বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে বলিউড সুপারস্টার সলমন খান, সইফ আলি খান, তাব্বু, সোনালি বেন্দ্রে এবং নীলম কোঠারির বিরুদ্ধে।

২০১৮ সালে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে দোষী সাব্যস্ত হয়ে সলমন খান পেয়েছিলেন পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা। যদিও ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেয়ে মাত্র দু’রাত কাটিয়ে ছাড়া পান তিনি। তবে তথ্যপ্রমাণের অভাবে সইফ, তাব্বু, সোনালি ও নীলম-কে বেকসুর খালাস করে নিম্ন আদালত।

কিন্তু এবার সেই খালাসের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজস্থান সরকার হাই কোর্টে লিভ-টু-আপিল দায়ের করেছে। বিচারপতি মনোজ কুমার গর্গ মামলাটি বিচারাধীন অন্যান্য মামলার সঙ্গে তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। পরবর্তী শুনানি ২৮ জুলাই ধার্য করা হয়েছে।

রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে ফের আইনি জটিলতায় জড়ালেন বলিউড তারকারা। আগে একাধিকবার হাই কোর্ট থেকে নোটিস পাঠানো হয়েছে অভিযুক্তদের নামে।

ঘটনার সূত্রপাত ১৯৯৮ সালের অক্টোবরে। অভিযোগ অনুযায়ী, গাড়ি চালিয়ে নিজের হাতে হরিণ শিকার করেছিলেন সলমন। সেই গাড়িতে সঙ্গী ছিলেন সইফ, তাব্বু ও সোনালি বেন্দ্রে। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে এই হরিণ অত্যন্ত পবিত্র। স্থানীয় বাসিন্দারা গুলির শব্দ শুনে ছুটে এসে মৃত হরিণ দেখতে পান এবং তারকাদের গাড়ির পেছনে ধাওয়া করেন।

পরে সলমনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও হরিণ হত্যা মামলায় মামলা রুজু হয় এবং কেবলমাত্র তাঁকেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত