ভারত–পাকিস্তান মহারণে আবারও একতরফা ছবি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৬১ রানের জয়ে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দেওয়ার পর ক্রিকেটমহলে শুরু হয়েছে বিশ্লেষণ। সেই তালিকায় যোগ দিলেন সচিন তেন্ডুলকরও। মাস্টার ব্লাস্টারের মতে, ম্যাচের আসল ফয়সালা হয়ে গিয়েছিল পাওয়ার প্লেতেই—সেখানেই ভারত এগিয়ে যায় এবং পাকিস্তান আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে রবিবারের ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় ভারত। ম্যাচের পর সামাজিক মাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়ায় সচিন লেখেন, “পাওয়ার প্লেতেই ভারত পাকিস্তানের কাছ থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছিল। প্রথম ইনিংসে ঈশান কিষানের ব্যাটিং এবং দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্দান্ত বোলিং—এই দুই জায়গাতেই পার্থক্য গড়ে দেয়। আমরা পুরো ম্যাচে ড্রাইভারের সিটে ছিলাম।”


এই ম্যাচে ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেন ঈশান কিষান। মাত্র ৪০ বলে ৭৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ১০টি চার ও ৩টি ছক্কা। শুরুতেই অভিষেকের উইকেট পড়লেও ঈশানের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ভারতের রানতোলা সহজ করে দেয়। পরে তিলক বর্মা ও সূর্যকুমার যাদব মিলে ৫৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে ১৭৫ রানে পৌঁছে দেন।
১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই হার্দিক পান্ডিয়ার আঘাতে উইকেট হারায় তারা। পরের ওভারে জশপ্রীত বুমরার জোড়া আঘাতে আরও বিপদে পড়ে পাকিস্তান। এরপর অক্ষর প্যাটেল বাবর আজমকে আউট করলে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা।
পাকিস্তানের হয়ে একমাত্র প্রতিরোধ গড়েন উসমান খান, তিনি করেন ৪৪ রান। তবে মাঝের ও শেষের দিকে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ১৮ ওভারে ১১৪ রানেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান।


ভারতের হয়ে হার্দিক পান্ডিয়া, বরুণ চক্রবর্তী, জশপ্রীত বুমরা ও অক্ষর প্যাটেল নেন দু’টি করে উইকেট। কুলদীপ যাদব ও তিলক বর্মা পান একটি করে সাফল্য। এই জয়ের পর সুপার এইটের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল ভারত।








