Recruitment Scam: কাকে কত টাকায় চাকরি বিক্রি? জীবনকৃষ্ণর টাকার লেনদেন খতিয়ে দেখছে ED

চাকরির প্রতিশ্রুতির নামে কোটি টাকার লেনদেন, একাধিক মুর্শিদাবাদবাসীকে তলব ইডির; প্রসন্ন রায়ের সঙ্গে যোগসূত্র নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

Recruitment Scam নিয়ে ফের নতুন মোড়। তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ, চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই অর্থের উৎস এবং লেনদেনের খতিয়ান জানতেই একাধিক মুর্শিদাবাদবাসীকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)।

সূত্রের খবর, চাকরি পাওয়ার নামে কত টাকা নিয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ, সেই বিষয়েই প্রশ্ন করা হবে তাঁদের। ইতিমধ্যেই সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হয়েছেন অন্তত চার জন।

ইডি-র নথি অনুযায়ী, জীবনকৃষ্ণ সাহা মাত্র সাত প্রার্থীর কাছ থেকেই তুলেছিলেন প্রায় ৪৭ লক্ষ টাকা।
অভিযোগ, অন্তত ৭৫ জন প্রার্থীর থেকে টাকা নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর এবং স্ত্রীর নামে থাকা একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল এক কোটিরও বেশি টাকা।

Recruitment Scam: কাকে কত টাকায় চাকরি বিক্রি? জীবনকৃষ্ণর টাকার লেনদেন খতিয়ে দেখছে ED

Recruitment Scam: কাকে কত টাকায় চাকরি বিক্রি? জীবনকৃষ্ণর টাকার লেনদেন খতিয়ে দেখছে ED
Recruitment Scam: কাকে কত টাকায় চাকরি বিক্রি? জীবনকৃষ্ণর টাকার লেনদেন খতিয়ে দেখছে ED

এর পাশাপাশি উঠে এসেছে আরও বিস্ফোরক তথ্য। জীবনকৃষ্ণ সাহার দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে কলকাতার একটি কোম্পানিতে একাধিকবার টাকা পাঠানো হয়েছিল। তদন্তে দেখা গেছে, সেই কোম্পানির মালিক আর কেউ নন, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া মিডলম্যান প্রসন্ন রায়।

প্রসন্ন রায়কে ২০২২ সালে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। পরে ২০২৪ সালে ইডিও তাঁকে হেফাজতে নেয়। বর্তমানে তিনি প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি।
ইডি-র দাবি, জীবনকৃষ্ণ ও প্রসন্নর মধ্যে আর্থিক যোগসূত্র প্রমাণ করছে নিয়োগ দুর্নীতির নেটওয়ার্ক কতটা গভীর।

এখন প্রশ্ন উঠছে, ওই টাকা কি প্রসন্ন রায়ের মাধ্যমে বিনিয়োগ করা হচ্ছিল? নাকি কোনও প্রভাবশালীর কাছে পৌঁছচ্ছিল সেই অর্থ? এমনকি, অভিযোগ উঠেছে চাকরির নামে নেওয়া টাকা দিয়ে একাধিক ব্যবসা এবং সম্পত্তিও কেনা হয়েছিল।

তবে জীবনকৃষ্ণ সাহা নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তাঁর দাবি, তিনি ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য। রাইস মিল, কোল্ড স্টোর ও রেশন ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবসার কারণে বছরে ২ কোটিরও বেশি টার্নওভার হয় তাঁদের পরিবারের। তাই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এত টাকা আসা অস্বাভাবিক নয়।

তবে ইডি মনে করছে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির প্রধান চক্রীদের অন্যতম হিসেবে জীবনকৃষ্ণ সাহাকে জেরা না করলে গোটা লেনদেনের চিত্র স্পষ্ট হবে না। তাই বারবার নতুন তথ্য সামনে আনছে এজেন্সি।

Recruitment Scam মামলায় এই মুহূর্তে জীবনকৃষ্ণ সাহা ও প্রসন্ন রায়ের যোগসূত্রই তদন্তের মূল ফোকাস। এই সংযোগ নিয়েই আগামিদিনে তদন্ত আরও গাঢ় হতে চলেছে বলে মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত