নজরবন্দি ব্যুরোঃ রত্নাদেবী ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’! তাঁদের ২ জনের সম্পর্ক নিয়ে এর আগেও সংবাদ মাধ্যমে কম কাটা ছেঁড়া হয়নি। আর বঙ্গ ভোটের প্রাক্কালে ফের তাঁদের কাজিয়া সামনে এলো। তাঁর হলেন রাত্না চট্টোপাধ্যায় ও শোভন চট্টোপাধ্যায়। রত্নাকে এবার শোভন ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ বললেন। আর তার পাল্টা দিলেন রত্নাও।
আরও পড়ুনঃ পেট্রোল পাম্প থেকে করোনা সার্টিফিকেট, দ্রুত মোদীহীন করার নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের।


তিনি জানিয়ে দিলেন শোভন এখন আর তাঁর কেউ নন। আসলে এই ঘটনার সুত্রপাত বেহালা পূর্বে তৃণমূল রত্নাকে প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকে। তাঁর প্রার্থী হবার পর শোভন বলেন ‘‘রত্নাদেবী কোনও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন কি না, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। নিউ কাসলের মানসিক চিকিৎসাকেন্দ্রে তাঁর মস্তিষ্কের সমস্যা প্রমাণিত। শংসাপত্রও রয়েছে। উনি মানসিক ভারসাম্যহীন।
ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী এমন কেউ প্রার্থী হতে পারেন কি না, সেটাই প্রশ্নচিহ্নের উপর দাঁড়িয়ে। এটা তৃণমূলের ব্যাপার। তবে উপযুক্ত জায়গায় বিষয়টি জানাব আমরা।’’ রত্নার পদবী নিয়েও কটাক্ষ করেন শোভন, বলেন “চট্টোপাধ্যায় পরিচয় না ব্যবহার করাই উচিত ওঁর। বরং বিয়ের আগের দাস পদবিই ব্যবহার করুন। ভোটের ময়দানে আমার পরিচয়ে যেন লড়তে না হয়।’’ আর এর পরেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন রাত্না তিনি বলেন,
রত্নাদেবী ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’! ‘‘যে নিজে পাগল, সে-ই অন্যকে পাগল বলে। ওঁর কোনও কথার উত্তর দেব না আমি। দিলেই পাগল প্রতিপন্ন হব। ওঁকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে হবে। এই লড়াইয়ে শোভন আমার কেউ নন। তাই উনি কী বলছেন, কী ভাবছেন, সে ব্যাপারে কোনও আগ্রহ নেই আমার।’’ এই ঘটনার পর আগামী দিনে ভোটের দিন এগবে ততই তাঁদের দুজনের তিক্ততা বারবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।


সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



