নজরবন্দি ব্যুরো: রেশন দুর্নীতি মামলায় পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তাঁর গ্রেফতারির পর থেকেই বিরোধী পক্ষের তরফে রেশন দুর্নীতির সঙ্গে বিহারের পশু খাদ্য দুর্নীতির যোগসূত্র আছে বলে দাবি করে। এবারে ইডি তদন্তেও নাকি উঠে এসেছে নয়া তথ্য। তবে কি জল্পনাই সত্যি হল? ঘনাচ্ছে রহস্য।
আরও পড়ুন: ইতিহাসের পাতায় গুরুত্বপূর্ণ ৬ নভেম্বর, আজকের দিনের কোন কোন ঘটনা উল্লেখযোগ্য
সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতির তদন্ত চলাকালীন কলকাতার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সূত্র ধরেই বিহারের পশু খাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে যোগ পাওয়া যায়। জানা যায়, কলকাতার ওই ব্যবসায়ী চন্দক পরিবারের সদস্য দীপেশ চন্দককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। চন্দক পরিবারের বাড়ি ও অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পশু খাদ্য কেলেঙ্কারিতে দীপেশ চন্দক লালুর বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হয়েছিলেন। সেইসময় তিনি মুক্তি পেলেও ২০১৮ সালে ফের সিবিআই গ্রেফতার করেন তাঁকে।

তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে তৈরি হয়েছিল নাটকীয় পরিস্থিতি। বিহার ও ঝাড়খণ্ডের গুদামের লিজ বাড়ানোর সময়ে এক এফসিআই আধিকারিককে ঘুষ দিতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন দীপেশ। তবে তাঁর পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, দীপেশকে অপহরণ করা হয়েছে। সেইসময় কথাও ওঠে যে রাজ্যের কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তির ছায়া রয়েছে তাঁর উপর। পাঁচ বছর পর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারিতে প্রশ্ন উঠছে সেই প্রভাবশালী ব্যক্তি কি জ্যোতিপ্রিয়ই?
বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় নাম জড়ায় ওই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের। দেশজুড়ে রীতিমত শোরগোল ছড়িয়ে পড়ে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাতে গ্রেফতার হন তিনি। কোটি কোটি টাকা আর্থিক তছরুপের অভিযোগ আসে তাঁর বিরুদ্ধে। বাংলার রেশন দুর্নীতির সঙ্গে বিহারের পশু খাদ্য কেলেঙ্কারির যোগ নিয়ে ইডির চাঞ্চল্যকর দাবিতে ফের তৈরি হচ্ছে নানা জল্পনা।
বাংলায় রেশন দুর্নীতির সঙ্গে বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির যোগ! ইডির তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য




