রাজ্যবাসীর করোনা প্রতিরোধের ক্ষমতা জানতে শুরু হল র‍্যাপিড অ্যানিবডি টেস্ট।

রাজ্যবাসীর করোনা প্রতিরোধের ক্ষমতা জানতে শুরু হল র‍্যাপিড অ্যানিবডি টেস্ট।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যবাসীর করোনা প্রতিরোধের ক্ষমতা জানতে শুরু হল র‍্যাপিড অ্যানিবডি টেস্ট। পথ দেখাল পশ্চিম মেদিনীপুর। গত দুই সপ্তাহ ধরে ব্যাপকহারে বেড়েই চলেছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। সংক্রমণের মুখে পড়ছেন আবাল বৃদ্ধ বনিতা। রাজ্যের হাতে গোনা ২ – ৩ টি জেলা বাদ দিয়ে সব জেলাতেই কার্যত বায়ুবেগে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। প্রায় প্রতিদিনই তৈরী হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, হাওড়া বা দক্ষিন ২৪ পরগণার সাথে সম্প্রতি পাল্লা দিতে শুরু করেছে দার্জিলিং দক্ষিন দিনাজপুর বা মালদার মত উত্তরের জেলাগুলি। কার্যত নজিরবিহীন সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে রাজ্য।

আরও পড়ুনঃ ২১শে জুলাই ভার্চুয়াল সভার কমেন্ট বক্স বুঝিয়ে দিল ’২১ নির্বাচনে কি ঘটতে চলেছে! 

শেষ বুলেটিনে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ৭৬৯ জন।পাশাপাশি মৃত্যুমিছিলও অব্যাহত রয়েছে রাজ্যে। করোনা ভাইরাসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৪৭। এই পরিস্থিতিতে কড়া লকডাউন জারি থাকছে রাজ্যের সমস্ত কনটেন্মেন্ট জোনে পাশাপাশি সপ্তাহে দুদিন পুরো রাজ্য জুড়ে লকডাউনের নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। এদিকে আজ কিছুটা সুখবর এক পশ্চিম মেদিনিপুর জেলা হাঁসপাতালের হাত ধরে।

রাজ্যবাসীর করোনা প্রতিরোধের ক্ষমতা জানতে শুরু হল র‍্যাপিড অ্যানিবডি টেস্ট। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য দফতর ও মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে আজ সাংবাদিক বৈঠক করে জানানো হয় এই আন্টিবডি টেস্টের কথা।রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্যে পশ্চিম মেদিনীপুর কে ৩০টি ক্লাস্টারে ভাগ করে করোনা আক্রান্ত গ্রামগুলিতে গিয়ে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এই কর্মকান্ডে শামিল করা হচ্ছে একটি বিশেষ দলকে। আশা কর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে সেই বিশেষ দল। এই রক্তের রিপোর্ট ভীষন গুরুত্বপূর্ণ, এতে বোঝা যাবে কত জনের শরীরে তৈরি হয়েছে করোনা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি।

আজ মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগে কর্মরত জুনিয়ার দুই চিকিৎসকের রক্তের নমুনা সংগ্রহের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয় ব়্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট। প্রথম পর্যায়ে ৩০টি গ্রাম থেকে ৩৬০ জনের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে এই পরীক্ষা করা হবে। পরে ব্যাপক আকারে জেলার প্রত্যেক মানুষের। এই জেলায় কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ৬১। জেলায় এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮৬ জন। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। পশ্চিম মেদিনীপুরে সুস্থ হয়ে এখন পর্যন্ত বাড়ি ফিরেছেন ৪৫৮ জন এবং এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩১৬ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x