নজরবন্দি ব্যুরোঃ রামচরিতমানস নিয়েই বিতর্কিত মন্তব্য করে শোরগোল ফেলে দিলেন বিহারের শিক্ষামন্ত্রী, আরজেডি নেতা চন্দ্রশেখর। রামায়নের গরিমা নিয়ে তুলসীদাস লিখেছিলেন রামচরিতমানস। রামায়ণের রামকে নিজের কল্পনা এবং পুরাণের কাহিনি মিশিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এর সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যা দিলেন চন্দ্রশেখর। তাঁর মতে, এই বই সমাজে বিভাজন এবং বিদ্বেষ বাড়িয়েছে।
আরও পড়ুনঃ


বুধবার নালন্দা মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন চন্দ্রশেখর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিহারের রাজ্যপাল ফাগু চৌহানও। সেখানেই চন্দ্রশেখর বলেন, রামচরিতমানসেএমন সব কথা আছে যা সমাজের জন্য ক্ষতিকারক। সেখানে বলা হয়েছে সমাজের নীচু তলার মানুষরা লেখাপড়া শিখলে তার ফল ভালো হয় না। উচ্চ নীচ ব্রাহ্মন অব্রাহ্মণ ভেদাভেদ রয়েছে সেখানে। এ ধরনের মন্তব্য সমাজে ভাগাভাগি ও ভাঙাভাঙি বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে শুধু রামচরিতমানসই নয়, মনুস্মৃতি এবং আরআসএসের প্রাক্তন সরসঙ্ঘচালক এমএস গোলওয়ারকারের ‘বাঞ্চ অফ থটস’ বইকেও সমাজে বিভাজন ছড়ানোর জন্য দায়ী করেছেন সেই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী।

এদিন চন্দ্রশেখরের কথায়, “একটা দেশ তখনই শ্রেষ্ঠ হয়, যখন সে দেশে ভালবাসা এবং স্নেহ থাকে। কিন্তু মনুস্মৃতি কিংবা রামচরিতমানসের মতো বই সমাজে বিভাজনের বীজ রোপণ করে।” তিনি আরও বলেন, দলিত শ্রেণির মানুষদের লেখাপড়া শেখার বিরোধিতা করা হয়েছে বলেই মানুষ মনুস্মৃতিকে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ফেলে কিংবা রামচরিতমানসের সম্পাদিত অংশকে পাঠ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
দেশে বিভাজনের জন্য দায়ী তুলসীদাসের রামায়ণ, বিস্ফোরক মন্তব্য বিহারের শিক্ষামন্ত্রীর



স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপি সুর চড়িয়েছে। আরজেডির এই মন্ত্রীর বক্তব্যের যথেষ্ট সমালোচনা করেছেন বিজেপি। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্যই এমন মন্তব্য করেছেন চন্দ্রশেখর।







