আগামী ২২ শে জানুয়ারী অযোধ্যায় রামমন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস। এই নিয়ে দেশজুড়ে সাজোসাজো রব। যদিও বিরোধীরা ইতিমধ্যেই অভিযোগ তুলেছে যে বিজেপি এই অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ব্যাবহার করছে। এরমধ্যেই ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের খাদ্যাভাস নিয়ে বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন এনসিপি নেতা জিতেন্দ্র আওহাদ, যিনি শরদ পাওয়ার গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। তার দাবী যে ভগবান রাম আমিষ খেতেন ও তিনি বহুজন জাতিভুক্ত নেতা ছিলেন।
जर आज स्वर्गीय बाळासाहेब असते
… तर आजच्या सामना मधून प्रभू रामचंद्राना मांसाहारी बोलणाऱ्यांना कडक शब्दात सुनावले असते .त्याच्यावर तुटून पडले असते.. खडा प्रहार केला असता
मात्र . आज काय स्तिथी आहे पहा
उबाटा ला प्रभू रामला कोणी काही म्हणो त्यांना काही पडले नाही..…
— Ram Kadam (@ramkadam) January 4, 2024
তিনি বলেন,” ভগবান রাম ছিলেন বহুজন, আমিষভোজী, এবং শিকারি। আমরা ইতিহাস পড়িনা এবং রাজনীতির জন্য সবকিছু ভুলে যাই না। রাম আমাদের। আমরা বহুজন। যারা শিকার করে খেতেন… রাম কখনই নিরামিষাশী ছিলেন না, ১৪ বছর ধরে জঙ্গলে বসবাসকারী একজন মানুষ কিভাবে নিরামিষভোজী থাকতে পারেন ?”এর তীব্র বিরোধিতা করেছে বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক রাম কদম বলেছেন, “বালাসাহেব ঠাকরে বেঁচে থাকলে শিবসেনার ‘সামনা’ পত্রিকা এই মন্তব্যের সমালোচনা করত। কিন্তু আজকের বাস্তবতা হল, কেউ হিন্দুদের নিয়ে ঠাট্টা করলে উদ্ভব সেনারা পাত্তা দেয়না। তারা উদাসীন, বরফের মত শীতল। কিন্তু যখন নির্বাচন আসবে, তখন শুধু তারা হিন্দুত্বের কথা বলবে।”

রাম কদম মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে চিঠি লিখে ২২ শে জানুয়ারীকে ড্রাই ডে হিসেবে ঘোষিত করার আবেদন করেছেন ও দাবী করেছেন যেন ওদিন প্রকাশ্যে মাছ মাংস বিক্রি না হয়। তবে এই নিয়ে কোন বিতর্ক গায়ে মাখছেন না এনসিপি নেতা। তার সাফ কথা,” ভগবান রাম কি খেয়েছিলেন তা নিয়ে বিতর্ক কি? কেউ কেউ দাবী করবে যে রাম মেথি ভাজি খেতেন। ভগবান রাম ছিলেন ক্ষত্রিয় এবং ক্ষত্রিয়রা মাংসাশী। ভারতের জনসংখ্যার ৮০ শতাংশই আমিষাশী, তাঁরাও ভগবান রামের ভক্ত।”

ভগবান রাম বনবাসের সময় মাংস খেতেন – দাবী এনসিপি নেতার।
আওহাদের বক্তব্যের নিন্দা করেছেন শ্রী রাম জন্মভুমি তীর্থক্ষেত্রের প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস। তিনি বলেছেন,” শাস্ত্রে লেখা আছে যে বনবাসের সময় ভগবান রাম ফল খেতেন। এনসিপি নেতা জিতেন্দ্র আওহাদ যা বলছেন সম্পুর্ন মিথ্যা। আমাদের ভগবান সবসময় নিরামিষাশী ছিলেন।” আগামী দিনে এই নিয়ে আরও বিতর্ক দানা বাঁধতে পারে এবং বিজেপি এই নিয়ে উদ্ভব ঠাকরেকে আরও কোণঠাসা করার চেষ্টা করবে বলেই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের অভিমত।



