নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রতিদ্বন্দ্বী তথা গুরু কল্যানের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে কমিশনে রাজীব। কিছুদিন আগেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার নির্বাচনেও তিনি ডোমজুরের প্রার্থী। তবে ঘাস্ফুলের নয় পদ্মফুলের। আর তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী তাঁরই রাজনৈতিক গুরু বলে পরিচিত কল্যাণ ঘোষ। তবে এবার সেই কল্যানের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনেকে চিঠি লিখেছেন বিজেপি নেতা।
আরও পড়ুনঃ চাণক্য প্রভাব! মুকুলের হাত ধরে বিজেপিতে এলেন তৃণমূলের ছাত্র নেতা সহ ৫০০ জন।


শুধু অভিযোগ নয়, ডোমজুড়ের তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক কি রয়েছে চিঠিতে? রাজীব জানান “ডোমজুড়ের তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ ঘোষ দুটি নাম ব্যবহার করছেন। কমিশনের দেওয়া হলফনামায় নিজের নাম লিখেছেন কল্যানেন্দু ঘোষ কিন্তু প্রচারে কিংবা ব্যানার ও দেওয়াল লিখনে তাঁর নাম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কল্যাণ ঘোষ নামটি। মনোনয়ন দেওয়ার সময় যে স্ট্যাম্প পেপার কেনা হয়েছে সেখানে কল্যাণ ঘোষের নামেই কেনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজীব। একজন ব্যক্তি দুটি নাম ব্যবহার করে কমিশনকে ভুল তথ্য দিচ্ছে ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।” এই মর্মে কল্যাণের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে কমিশনকে চিঠি লিখেছেন রাজীব।যদিও রাজীবের এই চিঠির পাল্টা কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি কল্যাণ ঘোষ। ডোমজুড়ের মাটিতে রাজীবের বিজেপিতে যোগদানের দিনই রাস্তায় সক্রিয়ভাবে মাঠে নামেন কল্যাণ ঘোষ।
ডোমজুড়ের হেভিওয়েট নেতা ও রাজীবের গুরু বলে পরিচিত কল্যাণের সঙ্গে দীর্ঘ মনোমালিণ্য ও গোষ্ঠীদ্বন্দ ছিলই। রাজীব বিজেপিতে যাওয়াতে লড়াই শুরু হয়েছে প্রকাশ্যে। এর আগে মনোনয়ন বাতিলের ফল ভুগেছে তৃণমূল। পুরুলিয়ার জয়পুর আসনে উজ্জ্বল কুমারকে প্রার্থী করে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু স্ক্রুটিনিতে ওই মনোনয়নে ভুল থাকায় তা বাতিল করে দেয় নির্বাচন কমিশন। যার ফলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন উজ্জ্বল কুমার। আদালতের সিঙ্গল বেঞ্চ ওই মনোনয়ন গ্রহণ করতে বললেও ডিভিশন বেঞ্চে কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। সেই কারণেই ওই আসনে নির্দল প্রার্থীকে সমর্থন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
প্রতিদ্বন্দ্বী তথা গুরু কল্যানের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে কমিশনে রাজীব। এরকম ভুল দ্বিতীয়বার করতে চাইবে না রাজ্যের শাসকদল। তাই ফের যদি রাজীবের অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন তৃণমূল বিরোধী কোন ব্যবস্থা নেয় তা ভাল প্রভাব ফেলবে ভোটে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেসজ্ঞরা।









