সন্দেশখালিতে রেশন দুর্নীতির তদন্তে গিয়ে তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh) অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হতে হয় কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দাদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহল। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে। এবার সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্য পুলিশের নতুন প্রধান রাজীব কুমার (Rajib Kumar)। ঠিক কী বললেন তিনি?
আরও পড়ুন: সন্দেশখালির শাহজাহানকে ছাঁটল তৃণমূল, তাঁর পদে এলেন কে?


সোমবার গঙ্গাসাগর মেলার উদ্বোধনে গঙ্গাসাগরে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানে হাজির ছিলেন রাজ্যের নতুন ডিজিপি রাজীব কুমার (Rajib Kumar)। তাঁকে সন্দেশখালির ঘটনা প্রসঙ্গে রাজীবকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “আইন ভাঙলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। যাঁরা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে আর যাঁরা আইন ভেঙেছেন তাঁদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

সন্দেশখালির সরবেরিয়াতে রেশন দুর্নীতির তদন্তে গিয়ে শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh) অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হতে হয় ইডি আধিকারিকদের। কোনও রকমে প্রাণ রক্ষা করে তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে আসেন। ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা তৃণমূল নেতা। তাঁকে হন্যে হয়ে খুঁজছে আইবি-বিএসএফ। উত্তর ২৪ পরগণার সীমান্ত এলাকাতে চলছে জোর নজরদারি।



শুক্রবার সকালে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে হানা দেয় ইডি (Enforcement Directorate)। যদিও তালাবন্ধ বাড়িতে অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। এরপর প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর সেই বাড়ির তালা ভাঙার চেষ্টা করেন গোয়েন্দারা। ঠিক সেই সময়ই শুরু হয় বিক্ষোভ। কয়েক জন স্থানীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিজেদের শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh) অনুগামী বলে পরিচয় গোয়েন্দাদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ধাক্কা দেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও।
আইন ভাঙলে কাউকে রেয়াত করা হবে না, সন্দেশখালির ঘটনা প্রসঙ্গে মন্তব্য DGP রাজীবের

পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগেই কোনও রকমে ঘটনাস্থল ছাড়েন ইডি (Enforcement Directorate) আধিকারিকেরা। তারপরও ইট দিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। অবরোধ করা হয় রাস্তা। টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন তৃণমূল নেতার অনুগামীরা। মাথা ফেটে জখম হওয়া এক আধিকারিককে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। জখম হয়েছেন আরও দু’জন আধিকারিক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে স্থানীয় পুলিশের সাহায্য চাওয়া হয়।







