‘একে রাজীব দুইয়ে শতাব্দী’ বিজেপিতে যোগের তালিকা দিলেন সৌমিত্র

‘একে রাজীব দুইয়ে শতাব্দী’ বিজেপিতে যোগের তালিকা দিলেন সৌমিত্র

নজরবন্দি ব্যুরো: ‘একে রাজীব দুইয়ে শতাব্দী’ বিজেপিতে যোগের তালিকা দিলেন সৌমিত্র। “বিজেপিতে আসার ব্যাপারে এক নম্বরে রয়েছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।  দু’ নম্বরে শতাব্দী রায় । তিন নম্বরে রয়েছেন অপরূপা পোদ্দার। এছাড়াও আছেন প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়। এরা সহ ৭ থেকে ৮ জন সাংসদ, বিধায়ক সকলেই চিন্তাভাবনা করে নিয়েছেন বিজেপিতে আসার ব্যাপারে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।” এমনই এক বিস্ফোরক দাবি করলেন বিজেপির বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।  

আরও পড়ুন: ‘প্রাপ্য সন্মান পান না, কর্মীদের দুঃখ, হতাশা বুঝি,’ লাইভে এসে কীসের ইঙ্গিত দিলেন রাজীব?

শতাব্দী রায় প্রসঙ্গ টেনে এদিন সাংবাদিকদের সৌমিত্র খাঁ বলেন, “দিদি অভিনয় করে আপাতত শতাব্দী রায়কে আটকেছেন। তবে আমি জানি, ২-৪ দিনের জন্যই তাঁকে আটকানো হয়েছে। শতাব্দী রায় বিজেপিতেই আসবেন। কারণ, তিনি চাইছেন কিছু কাজ করতে। এতদিন কিছু করুন আর না করুন, বিজেপিতে এসে তিনি কিছু কাজ করতে চাইছেন।” আজ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে জোড় শ্রেণির মন্দিরে দলের কর্মীদের নিয়ে সাফাই অভিযানে যোগ দেন সৌমিত্র খাঁ। সেখানেই শতাব্দী রায়ের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এই দাবি করেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ তথা বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ।

‘একে রাজীব দুইয়ে শতাব্দী’ বিজেপিতে যোগের তালিকা দিলেন সৌমিত্র। শুধু শতাব্দী রায়ের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েই থেমে থাকেননি বিজেপি সাংসদ। রাজীব বন্দোপাধ্যায়, প্রসূণ বন্দোপাধ্যায় ও অপরূপা পোদ্দারও বিজেপিতে খুব শীঘ্রই যোগ দিতে চলেছেন বলে এদিন দাবি করেন সৌমিত্র।  

তবে সৌমিত্র খাঁয়ের কথার প্রেক্ষিতে শতাব্দী জানান, “এখন বিজেপি ক্ষমতায় আসার লড়াই করছে। এ বলছে ও ভাঙবে, ও চুরবে। এসব চলতেই থাকবে। রাজনীতিতে এই তরজা আগেও হয়েছে। সব কথার উত্তর দেওয়ার দরকার আছে বলে মনে করি না। আমি আবার অবস্থান ব্যক্ত করেছি। যে কনফিউশন সবাই তৈরি করেছিল, তা স্পষ্ট করেছি। আমার মনে হয়, লড়াইয়ের আগে মাত্র কিছুদিনই আর হাতে আছে। এইসময় বিভ্রান্তি তৈরি না করে, দলে থেকেই সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট হতে হবে। দলের বাইরে গিয়ে নয়।”

প্রসঙ্গত, দলের একাংশের প্রতি অসন্তোষ ব্যক্ত করে বৃহস্পতিবার প্রথমে ফেসবুকে তোপ দাগেন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। ক্ষুব্ধ সাংসদ শনিবার দিল্লি গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করার ইঙ্গিতও দেন। এরপরই শুক্রবার তৃণমূলের তরফে শতাব্দীর মানভঞ্জন প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফোন করেন সাংসদ সৌগত রায়। বাড়িতে ছুটে যান দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। শেষে রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে বরফ গলে জল হয়। ইউ-টার্ন করে শতাব্দী জানান, আজ দিল্লি যাচ্ছেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x