নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ২৩ মার্চ সুরাট আদালতের তরফে ফৌজদারি মানহানি মামলায় রাহুল গান্ধীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং দুই বছরের কারাদণ্ডের সাজা ও ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দীর্ঘ সময় পর সোমবার জামিনের জন্য বিশেষ আদালতের দ্বারস্থ হন কংগ্রেস নেতা। অবশেষে রাহুল গান্ধীকে জামিনের নির্দেশ দিল গুজরাতের আদালত। সুরাতের সেশন আদালতের তরফে এদিন কংগ্রেস নেতাকে জামিনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Suvendu Adhikari: শুভেন্দু শর্তসাপেক্ষে সভা করার অনুমতি, বিরাট পদক্ষেপ নিল হাইকোর্ট
২০১৯ সালে নির্বাচনের প্রচার করতে গিয়ে মোদি পদবীর কথা উল্লেখ করে রাহুল গান্ধী বলেন, সব চোরেদের পদবি মোদীই কী করে হয়। এতে মোদি সম্প্রদায়ের সকলের মর্যাদাহানি হয়েছে। এমনটাই অভিযোগ দায়ের করেন এক বিজেপি নেতা। এরপর মানহানি মামলার রায় দিয়ে রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করে সুরতের একটি ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের আদালত। তাঁকে ২ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শোনানো হয়।

গত ২৩ তারিখ নিম্ন আদালতের তরফে নির্দেশের পরেই এবার উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন কংগ্রেস নেতা। সোমবার আদালতের তরফে জানানো পরবর্তী শুনানি ১৩ এপ্রিল। ততদিন অবধি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা যাবে না। একইসঙ্গে রাহুলের জেলযাত্রায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।
রাহুল গান্ধীকে জামিনের নির্দেশ, জেলযাত্রায় স্থগিতাদেশ

এদিন উপস্থিত ছিলেন রাহুল নিজে।সঙ্গে ছিলেন বোন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা, রাজস্থান, ছত্তিসগঢ়, হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, অশোক গহলৌত, ভূপেশ বঘেল এবং সুখবিন্দর সিংহ সুখু। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে বিন্দুমাত্র পিছপা হননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজেজু। তিনি বলেন, অভিযুক্ত উচ্চ আদালতে আবেদন জানানোর জন্য নিজে যাননা, যাওয়ার প্রয়োজনও পড়ে না। কিন্তু রাহুল গান্ধী বাচ্চাদের মতো দলবল নিয়ে ওখানে নাটক করতে গিয়েছেন।



