নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহঃ পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি অভিযোগ। বন্যাত্রানের টাকা নয়ছয়ের বিষয়টি গড়িয়েছে হাই কোর্ট অবধি। তবুও দুর্নীতির অন্ত নেই। এবার হরিশচন্দ্রপুরের শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে নেমেছেন গ্রামবাসীরা।
আরও পড়ুনঃ SSC-TET: আমি আসল তথ্য সামনে আনব, আদালতকে জানালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়


বুধবার সকাল থেকেই পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ির সামনে হাতে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভে শামিল হন মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নম্বর ব্লকের তুলসিহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের সালালপুরের গ্রামবাসীরা।অভিযোগ, তৃণমূল পরিচালিত তুলসীহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য মহম্মদ আলম একশো দিন প্রকল্পে টাকা নয়ছয় করছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত কর্মীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে পুকুর খনন,কবরস্থানের মাটি ভরাট,জঙ্গল সাফাই,প্রাচীর নির্মাণ ও ঢালাই রাস্তা নির্মাণের নামে ভুয়ো বিল করে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছে ওই ব্যক্তি।

এমনকি সিভিক ভলেন্টিয়ার,নিখোঁজ ও মৃত ব্যক্তির নামে ভুয়ো মাস্টার রোল বানিয়ে টাকা তোলা হয়েছে।বিবাহ বা কর্মসূত্রে অন্যত্রে বসবাসকারী ব্যাক্তির নামে ১০০ দিনের কাজে ভুয়ো মাস্টার রোল দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছে। এমনকি প্রকৃত পিএমএওয়াই উপভোক্তাদের বাড়ি না দিয়ে টাকার বিনিময়ে অন্যত্র বিক্রি করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।



এবিষয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আগেও অভিযোগ উঠেছিল। এর আগে সালিশি সভায় দুই পাওনাদারদের টাকা দিতে হয়েছিল। কিন্তু এখনও বঞ্চিত হয়েছেন পাঁচ জন। এমনকি একশো দিনের কাজে স্বজন পোষণের অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসীরা।
পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ, হাই কোর্ট অবধি বিষয় গড়িয়েও হয়নি জ্ঞানশিক্ষা

এমনকি জেলা পরিষদের বরাদ্দ ১২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে গ্রামবাসীদের ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পানীয় জলের কল বসানো হয়েছিল। অভিযোগ, সেটি শুধুমাত্র নিজের ব্যবহারের জন্য প্রাচীর দিয়ে ঘিরে দিয়েছে বলে অভিযোগ। অপরদিকে পঞ্চায়েত থেকে ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দে জনবহুল এলাকা বাদ দিয়ে নিজের বাড়ির সামনে বসিয়েছে হাই মাস্ট লাইট এবং নিজের ব্যক্তিগত সুবিধার্থে রাস্তা থেকে বাড়ি পর্যন্ত পঞ্চায়েত থেকে করা হয়েছে কংক্রিটের ঢালাই রাস্তা ।
পঞ্চায়েত সদস্য মহম্মদ আলম জানান,তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ একেবারে ভিত্তিহীন।তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে বিরোধীরা বলে দাবি।








