নজরবন্দি ব্যুরোঃ দু’বছরের এক শিশু-সহ একই পরিবারের পাঁচ জনকে কুপিয়ে খুন। প্রয়াগরাজের নৃশংস ঘটনা নিন্দা দেশজুড়ে। প্রয়াগরাজের থরবই থানার অন্তর্গত খেবরাজপুরে ঘটনাটি ঘটেছে। শনিবারের এই ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে গেছে। রবিবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হল তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পরিবারের একমাত্র সদস্যের উদ্দেশ্যে দোলা সেনদের বার্তা, ন্যায়ের জন্য লড়াই জারি থাকবে।
আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বাড়িতেই থাকছে কেষ্ট, এবার দুয়ারে সিবিআই!
এদিন তৃণমূলের তরফে দিল্লি থেকে প্রয়াগরাজের উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যেই রওনা দেন দোলা সেন, মমতা বালা ঠাকুর, সাকেত গোখলে এবং জ্যোৎস্না মান্ডিরা। উত্তরপ্রদেশ থেকেই যোগ দেন ললিতেশ ত্রিপাঠী। সকলেই পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন।

দুষ্কৃতীরা এক প্রৌঢ় দম্পতি, তাঁদের মেয়ে, পুত্রবধূ এবং নাতনিকে খুন করেছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন রাম কুমার যাদব (৫৫), তাঁর স্ত্রী কুসুম দেবী (৫২), মেয়ে মনীষা (২৫), বৌমা সবিতা (২৭) ও দুই বছরের নাতনি মীনাক্ষী। তবে পাঁচ বছরের আরেক নাতনি সাক্ষীকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তরফে জানানো হয়েছে, ঘরে আগুন লেগেছে এই আশঙ্কা করে প্রতিবেশীদের কয়েক জন মিলে রামকুমারের বাড়িতে ঢুকতেই আঁতকে ওঠেন। চার ধারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে পরিবারের পাঁচ জনের রক্তাক্ত দেহ। একটি ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছিল। বাড়িরই এক কোণ থেকে রামকুমারের বছর পাঁচেকের নাতনিকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। তাঁর চোখেমুখে তখনও আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।
ন্যায়ের জন্য লড়াই জারি থাকবে, পরিবারের পাশে থাকার বার্তা তৃণমূলের

পরিবারের অন্য সদস্য সুনীল যাদব ঘটনাস্থলে ছিল না। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তাঁর সঙ্গেই দেখা করল তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। পরিবারকে সমস্ত রকমের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের তরফে। বিজেপি সরকার নির্দয় বলে দাবি করছেন তৃণমূল সদস্যরা।



