নয় দিনে বাংলায় চারটি সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আরামবাগ, কৃষ্ণনগর, বারাসাতের পর এবার শিলিগুড়ি। শুক্রবার কাওয়াখালিতে সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধনের পর বিজেপির বিজয় সংকল্প সভায় বক্তব্য রাখলেন মোদী। এদিনের সভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা বর্তমান বিজেপি নেতা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: মোদীর সভায় অভিজিৎ, প্রথমবার রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে কী বার্তা বিজেপি নেতার?


লোকসভা নির্বাচনের আগে বারংবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। আগের সভার মতো শিলিগুড়ির সভাতেও বাংলায় বক্তব্য রাখলেন নমো। এরপর ফের একবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুললেন নরেন্দ্র মোদী। বললেন, “দেশকে এগিয়ে নিতে যায় বিজেপি। উত্তরবঙ্গকে আমরা সবসময় প্রাধান্য দিয়ে থাকি। দিল্লি থেকে টাকা দেওয়া হচ্ছে, সেই টাকা তৃণমূলের তোলাবাজরা লুটে নিচ্ছে। উজ্জ্বলা যোজনায় ১৪ লক্ষ মানুষের টাকা আটকে দিয়েছে তৃণমূল। মনরেগার টাকার নাম করে ২৫ লক্ষ নকল ভুয়ো জব কার্ড তৈরি করেছে। একমাত্র বিজেপিই পারে উত্তরবঙ্গের উন্নতি করতে।”

পাশাপাশি মোদী আরও বলেন, “বিনামূল্যে রেশন দিতে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল-কংগ্রেস-সিপিআইএম। এই ‘ইন্ডি’ জোট দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের জোট। অথচ বিজেপি সরকার বিকশিত ভারতের স্বপ্ন দেখে। সেই পথেই আমাদের লক্ষ্য। বাংলার সরকার উত্তরবঙ্গকে মর্যাদা দেয় না। তাই এখানে আমাদের এত সমর্থক। উত্তরবঙ্গে আসতে আমি ভালোবাসি।”



তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে তো গোটা দেশে চর্চা হয়! শিলিগুড়িতে বাংলায় ভাষণ শুরু করে যা যা বললেন মোদী
অন্যদিকে, মোদী আসার আগে প্রথমবার রাজনৈতিক সভা থেকে বক্তব্য রাখলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “এই সরকার দুর্নীতিগ্রস্থ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেই দুর্নীতি হয়েছে। আমি বিচারপতি থাকার সময় সেই প্রমাণ পেয়েছি। তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা এখন জেলে। তাই এদের একটিও ভোট দেবেন না। ৪২টি আসনের বিজপিকে জেতান আপনারা। তবেই বাংলার ভালো হবে, সবার ভালো হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আজও বহু চাকরিপ্রার্থী যাঁরা অনেক বেশি নম্বর অর্জন করেছেন তাঁদের চাকরি দেওয়া হয়নি। দেওয়া হয়েছে যাঁরা অনেক কম নম্বর পেয়ে বেশ কিছু টাকা দিয়ে চাকরিটা কিনেছেন তাঁদের। ফলে এই যে দুর্বৃত্তরা নিজেদের পকেটে টাকা ঢুকিয়েছে, নিজেদের দৌরাত্ম্যে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থাকে শেষ করে দেওয়ার রাস্তায় হেঁটেছেন।”








