নজরবন্দি ব্যুরোঃ ক্ষমতায় আসার আগে ব্যপক কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেটা ২০১৪ সালের কথা। ক্ষমতার পরিবর্তন হল দেশে, কংগ্রেস কে সরিয়ে দেশের শাসনভার ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে তুলেদিল আমজনতা। কিন্তু কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে মূল্যহ্রাস। সব কিছুতেই সমালোচিত হয়েছে মোদি সরকারকে। তবে এবার বোধহয় সত্যিই আচ্ছে দিন আসছে কর্মপ্রার্থীদের।
আরও পড়ুনঃ ক্যানসার মরবে এই নতুন ভাইরাসে, দাবি বিশেষজ্ঞদের, শুরু হল মানুষের ওপর ট্রায়াল
একধাক্কায় ১০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর এই নিয়োগ হবে আগামী দেড় বছরের মধ্যেই। কিন্তু এক ধাক্কায় ১০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ কিভাবে? জানা গিয়েছে দেশের সব সরকারি দফতরের শূন্যপদে এক ধাক্কায় এই বিপুল নিয়োগ করবে কেন্দ্রের সরকার। সব নিয়োগই হবে স্থায়ী ভিত্তিতে। অর্থাৎ আগামী দেড় বছরে ১০ লক্ষ ছেলে মেয়ের কপাল খুলবে কেন্দ্রের হাত ধরে।

সূত্রের খবর, দেশের সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারি বিভাগ এবং মন্ত্রকগুলিতে বর্তমান মানবসম্পদের অবস্থা নিয়ে পর্যালোচনার পর নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ ১৪ই জুন, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দেড় বছরে বিভিন্ন সরকারি বিভাগ এবং মন্ত্রকে ১০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করা হবে।
লোকসভা নির্বাচনের আগে ১০ লক্ষ নিয়োগের ঘোষণা মোদির, সুখবর চাকরিপ্রার্থীদের জন্যে।

বেকারত্ব ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারকে লাগাতার নিশানা করে চলেছে বিরোধী দলগুলি। বিভিন্ন সরকারি ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ থাকলেও নিয়োগের সদিচ্ছা নেই বলে অভিযোগ করছেন বিরোধীরা। এমন পরিস্থিতিতে ১০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করে সেই সমালোচনার জবাব দিতে চান প্রধানমন্ত্রী। কারন সামনেই আছে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন। তারআগেই নিয়োগের কাজ সেরে ফেলতে চায় মোদি সরকার।

PM @narendramodi reviewed the status of Human Resources in all departments and ministries and instructed that recruitment of 10 lakh people be done by the Government in mission mode in next 1.5 years.
— PMO India (@PMOIndia) June 14, 2022
নরেন্দ্র মোদির কার্যালয় ট্যুইট করে জানিয়েছে, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমস্ত বিভাগ এবং মন্ত্রকগুলিতে মানব সম্পদের অবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং আগামী দেড় বছরে মিশন মোডে ১০ লক্ষ লোক নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছেন”। পর্যালোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের সচিবদের নির্দেশ দেন যাতে দ্রুত বিভিন্ন দফতর এবং মন্ত্রকে কর্মী নিয়োগ করা হয়।



