নজরবন্দি ব্যুরোঃ কলকাতা পুরভোটে থাকুক ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি। এই আবেদন জানিয়ে শুক্রবার হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। গৌতম কুমার ঘোষ নামের এক জনৈক্য ব্যক্তি মামলা দায়ের করেন। জানা যাচ্ছে, শুক্রবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের এজলাসে হবে শুনানি। কলকাতা পুরভোটে ড্রোনের নজরদারি মামলার শুনানি রয়েছে আজ।
আরও পড়ুনঃ Weather Update: শীতে কি আবারও ব্যাঘাত ঘটতে পারে? কি বলছেন আবহাওয়া দফতর
জনস্বার্থ মামলায় বলা হয়েছে, ২০১৫ সালে নির্বাচন চলাকালীন যে ঘটনা ঘটেছে তার থেকে শিক্ষা নিয়েই ড্রোনের মাধ্যমে নিরাপত্তার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। শুধুমাত্র এলাকার নজরদারি নয়, ভোটাররা যে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁদের ওপর নজর রাখতেই না ছবি তুলতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে কলকাতা পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার দাবীতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। বিজেপির সেই আর্জিকে খারিজ করেছে হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ। এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েনের দাবীতে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। বিজেপির আইনজীবী জানিয়েছেন, গতবারের পুরভোটে এক পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ভয়মুক্ত নির্বাচন করাতে গেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন। সন্ত্রাসমুক্ত ভোটের জন্য ত্রিপুরায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু একক বেঞ্চ আমাদের সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। তাই ডিভিশন বেঞ্চে আমরা আবেদন জানাচ্ছি। প্রধান বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করেছেন।
সেই মামলারও শুনানি রয়েছে শুক্রবার। ফলত শুক্রবার কলকাতা পুরভোটকে ঘিরে আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। এর আগে অবশ্য কলকাতা পুরভোটে প্রত্যেকটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়াও কন্ট্রোল রুমেও সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
কলকাতা পুরভোটে ড্রোনের নজরদারি, আজই মামলার শুনানি
গতবারের ভোট থেকে শিক্ষা নিয়ে চলতি বছরের নির্বাচনে যে সমস্ত জায়গায় ঝামেলা হয়েছে সেখানে বিশেষ নজরদারি রাখতে চাইছে কলকাতা পুলিশ। তাই সমস্ত এলাকার থানাগুলির সঙ্গে কলকাতা পুলিশের গুণ্ডাদমন শাখার যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মোট ১৬৫৬ টি বুথে হবে নির্বাচন। কলকাতা পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র জানিয়েছেন, পুলিশ দিয়ে ভোট করাতে আত্মবিশ্বাসী তাঁরা।



