নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ সকালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছিল ভুবনেশ্বর এইমসে। তার রিপোর্ট এদিনই দেওয়া হয়েছে। পার্থর শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে মেডিক্যাল অফিসার, পার্থর আইনজীবী এবং ইডির তদন্তকারী অফিসারকদের। পার্থর শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। পার্থকে ভর্তি নেয়নি এইমস। তবে ইডি সূত্রে জানা জানিয়েছে, আজ রাতে ভুবনেশ্বরেই থাকতে হবে পার্থকে।
আরও পড়ুনঃ ভাগ্যিস বলেননি পার্থকে চিনিনা, উনি বাংলার লজ্জা! মমতাকে তীব্র আক্রমন সেলিম-সুজনের।
সূত্রের খবর, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর ইসিজি, ইকো, ইউএসজি করা হয়েছে। হার্টের সমস্যা ও কিডনির সমস্যা রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে ক্রনিক বলেই উল্লেখ করেছে এইমস। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ওজন, উচ্চতা, রক্তচাপ, পালস রেট পরীক্ষা করার পর, তিনি কোনও অসুখে ভুগছেন কিনা জানতে চান চিকিৎসকরা। চিকিৎসকদের প্রশ্নে পার্থ বাবু তাঁর একাধিক শারীরিক সমস্যার কথা জানান।

এইমসের চিকিৎসকদের ঠিক কি বলেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়?
হাসপাতাল সূত্রে খবর, ডাক্তারদের পার্থবাবু জানিয়েছেন, তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয় বহুদিন ধরেই। তবে কত দিন এই সমস্যার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তা ঠিক মনে নেই। পার্থ বাবুর দাবি, শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যার জন্য মাঝে মধ্যে রাতে অক্সিজেন সাপোর্ট, নেবুলাইজার বা বাইপ্যাপের সাপোর্ট নিতে হয়। মাঝে মধ্যে পা ফুলে যায় তাঁর। মাঝে মধ্যেই মাথা ঘোরে।

পাশপাশি তাঁর রেচন ব্যবস্থায় সমস্যা রয়েছে। ইউরিন পাশ করার সময় কষ্ট হয় মাঝেমধ্যেই। সে জন্য নেফ্রলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে চলছেন তিনি। তিনি টাইপ ২ সুগারে আক্রান্ত গত ১৫ বছর। এ ছাড়া ক্রনিক কিডনির ডিজিজ রয়েছে তাঁর। অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া নামক রোগেও আক্রান্ত তিনি।
৫ ফুট ৪” উচ্চতা, ১১১ কেজি ওজন, কি আছে পার্থর মেডিক্যাল রিপোর্টে?

এইমসের চিকিৎসকরা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে পরীক্ষা করে কি জানতে পারলেন?
পার্থ বাবুর হাইট ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি অর্থাৎ ১৬৭ সেন্টিমিটার, বয়স ৭০। উচ্চতার তুলনায় তাঁর ওজন অনেক বেশি। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ওজন ১১১ কেজি। অক্সিজেন স্যাচুরেশন ১০০ শতাংশ। মিনিটে শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি ৬৭। ফুসফুস কাজ করছে স্বাভাবিকভাবে। বিকে শ্বাস প্রশ্বাস নেওয়ার সময় কোন অস্বাভাবিক শব্দ নেই। পেটের মধ্যে শব্দও স্বাভাবিক। শরীরের সমস্ত অঙ্গ কাজ করছে স্বাভাবিক ভাবে। ১০০ শতাংশ কাজ করছে নার্ভাস সিস্টেমও।
ভুবনেশ্বর এইমসের প্রাইভেট ওয়ার্ড ওয়ানের ১০ নম্বর বেডে রাখা হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। হাসপাতালে পৌঁছনোর পর প্রথমে তাঁকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাঁর কার্ডিওলজি-সংক্রান্ত নেফ্রোলজি, এন্ডোক্রিনোলজিস্ট, এবং রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত ৪ জনের মেডিক্যাল টিম তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে।



