নজরবন্দি ব্যুরোঃ মন্ত্রীসভা থেকে সরানো হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। সেইসঙ্গে দলীয় সমস্ত পদ থেকে সরানো হয়েছে পার্থকেও। এরপরেই দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করতে দেখা গেছে তাঁকে। দুর্নীতিতে আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে রয়েছেন পার্থ। এবার তাঁকে উদ্দেশ্যে করেই একের পর এক মন্তব্য করে চলেছেন বিরোধী শিবিরের নেতারা। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, এই দুর্নীতির সঙ্গে আর কারা জড়িত? পার্থবাবুর সব নাম বলে দেওয়া উচিত।
এদিন ট্যুইট করে মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, পার্থ বাবুর মুখ খুলে দেওয়া উচিত। বলে দেওয়া উচিত এই দুর্নীতির সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত। না হলে গোটা দেশের মানুষ ওকে একা চোর ভাবছে। সত্যিটা সবার জানা উচিত। একাই সারাজীবন চোর অপবাদ মাথায় নিয়ে ঘুরবেন কেন তিনি ?

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি নগদ টাকা, সোনার গয়না, বিদেশী মুদ্রা সহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র । একইসঙ্গে রাজ্যের একাধিক জায়গায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তির পরিমাণ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। এবার সেই ইস্যুতে প্রতিনিয়ত পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে মন্তব্য করে চলেছেন বিরোধী শিবিরের নেতারা।
পার্থবাবুর সব নাম বলে দেওয়া উচিত, পরামর্শ দিলীপের

শনিবার শহর কলকাতায় বিক্ষোভে শামিল হন বিজেপি নেতারা। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আটক করা হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। শুধুমাত্র পার্থ চট্টোপাধ্যায় নয়, নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত পরেশ অধিকারীকেও মন্ত্রীপদ থেকেম সরানোর দাবি তুলেছেন তাঁরা।



