নজরবন্দি ব্যুরোঃ সাংবাদিকদের হেনস্থার জের, বিধায়ক হয়েও বিধানসভায় শুভেন্দুর উপর নিষেধাজ্ঞা। রাজ্যে প্রবল তৃণমূল ঝড়ের মধ্যেও নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়ে বিধায়ক হয়েছেন একদা তাঁরই শিশ্য বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। যদিও সেই জয় নিয়ে প্রবল বিতর্ক রয়েছে। তবে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বিধানসভায় প্রবেশ করেই তাঁর উপর বিধানসভায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়ে গেল।
আরও পড়ুনঃ পোস্টাল ব্যালটেও ভাল ফল, সরকারি কর্মচারীদের জন্য ‘উপহার’ মুখ্যমন্ত্রীর।
গতকাল ছিল রাজ্যের বিধায়কদের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান। বিধায়ক হিসবে শুভেন্দু বেলা ৪ টে নাগাদ বিধানসভায় ঢোকেন। ততক্ষনে শাসক দলের সকলের শপথগ্রহন সারা। তাই প্রায় শূন্য বিধানসভায় শপথবাক্য পাঠ করেন শুভেন্দু। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এরপর বাইরে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি শাসকদলকে বিঁধে জানান “২০০১ সালে আমি তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে অল্প ভোটে হেরেছিলাম । সেবারও তৃণমূলের সরকার প্রায় হয়ে গিয়েছিল । সে সময় যে সন্ত্রাস চলেছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। ১৫৬ কিলোমিটার দূর থেকে এসে আমি শপথ নিতে পেরেছি এটাই ভগবানের অশেষ আশীর্বাদ।
এরপর শুভেন্দু সংবাদমাধ্যমকে বলেন ”আমি কোনও নির্দল প্রার্থী ছিলাম না। একটি নির্দিষ্ট দলের হয়ে জিতে এসেছি। তবে ভেবে নেবেন না সব কিছুতেই বিরোধিতা করব। সবে কাজ শুরু হয়েছে, দেখা যাক।” কথা বলার সময়েই সাংবাদিকদের একাংশের সঙ্গে শুভেন্দুর নিরাপত্তারক্ষীদের সংঘর্ষ বাঁধে। প্রসঙ্গত নিরাপত্তারক্ষীরা সকলেই ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য।
সাংবাদিকদের হেনস্থার জের, বিধায়ক হয়েও বিধানসভায় শুভেন্দুর উপর নিষেধাজ্ঞা। যার জেরে সাংবাদিকরা বিধানসভায় হেনস্থার অভিযোগ জমা করে। এরপরেই বিধানসভার পক্ষ থেকে জানানো হয় আর কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সুরক্ষায় বিধানসভায় আসা যাবে না। এই নিষেধাজ্ঞার পর বিধায়কদের নিরাপত্তা নিয়েই বিধানসভায় আসতে হবে শুভেন্দুকে।



