নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও একটি জটিলতা কাটল। এক দফাতেই ভোট হবে, বুধবার এক মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর আবেদন খারিজ হয়ে গেল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। পর্যাপ্ত বাহিনী রাজ্যে রয়েছে, ফলে দফা বাড়িয়ে ভোট করানোর প্রয়োজন নেই, এমনই পর্যবেক্ষণ আদালতের।
আরও পড়ুন: ভোটের দিনই পথ অবরোধে নামছে বঙ্গ বিজেপি, শহরের ৮ রাস্তায় বিক্ষোভ কর্মসূচি!


দফা বাড়িয়ে পঞ্চায়েত ভোট করার দাবিতে গত সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন অধীর চৌধুরী। । আসন্ন নির্বাচনে কেন দফা বাড়ানো উচিৎ সেই কয়েকটি কারণ আদালতের কাছে তুলে ধরেছিলন কংগ্রেস সাংসদের আইনজীবী। বুধবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে অধীর চৌধুরীর আবেদন খারিজ হয়ে যায়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য রাজ্যে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। তাই দফা বাড়ানোর প্রয়োজন পড়বে না। একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, আগেই এইরূপ একটি আবেদনের ভিত্তিতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। মামলাকারী তা জানার পরও কেন ফের মামলা করলেন?

অধীর চৌধুরীর আগেই ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি কলকাতা হাইকোর্টে দফা বৃদ্ধির দাবিতে মামলা করেছিলেন। ২০১৩-র ভোটের বাহিনীর প্রসঙ্গ টেনে নওশাদ সিদ্দিকি জানিয়েছিলেন রাজ্যে গত দশ বছরে জেলার সংখ্যা বেড়েছে, বেড়েছে ভোটার সংখ্যা এবং বুথ সংখ্যা। তাই ২০২৩-এ পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী না দিলে ২০১৩ সালের মত দফায় দফায় ভোট করানো উচিত। এদিন অধীর চৌধুরীর আইনজীবী কলকাতা হাইকোর্টে জানিয়েছেন, “পঞ্চায়েত ভোটের আগেই ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতি দিনই অশান্তির ঘটনা ঘটছে। গুলি চলছে। পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই। ফলে তৃণমূল স্তরে বাহিনী পৌঁছতে পারছে না। তাই যদি এই বাহিনী দিয়েই ভোট করাতে হয়, তবে একাধিক দফাতে ভোটগ্রহণ হোক।”



পঞ্চায়েত ভোটে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। গত সোমবারই আদালতে একথা জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। গতকাল (৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন ৫০:৫০ অনুপাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশকে ব্যবহার করতে হবে। ৮২২ কোম্পানি বাহিনী এলে ভোটের দফা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই ধারণা ছিল ওয়াকিবহাল মহলের।
বাংলায় পর্যাপ্ত বাহিনী! পঞ্চায়েত ভোট এক দফাতেই, নির্দেশ হাইকোর্টের









