নজরবন্দি ব্যুরো: মণিপুর ইস্যুতে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনল বিরোধীরা। বাদল অধিবেশনের শুরু থেকেই সরগরম সংসদের দুই কক্ষ। বুধবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ স্পিকারের উদ্দেশে একটি চিঠি লেখেন। অধিবেশন শুরু হলে স্পিকার এই বিষয়ে চিঠি পড়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে জল্পনা ছিল শুরু থেকেই, অবশেষে তাতে সিলমোহর পড়ল।
আরও পড়ুন: বিশ্বে খাদ্যসংকট হতে পারে, চাল রপ্তানিতে ভারতকে নিষেধাজ্ঞা তোলার অনুরোধ করল আইএমএফ
বুধবার সকালে সংসদে অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ। একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন তিনি। কমপক্ষে ৫০ জন সাংসদ প্রস্তাবের পক্ষের থাকলে আগামী দশদিনের মধ্যে যেকোনও একটি দিনে আলোচনা হতে পারে। জানা যায়, ইন্ডিয়া জোটের এই অনাস্থা প্রস্তাব পাস হলে সরকারকে পদত্যাগ করানোর ক্ষমতা রাখে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের মতে, অনাস্থা প্রস্তাব যে বিরোধীদের পক্ষে যাবে না, একথা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ মোদী সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছে হার মানতে হবে তাদের। একথা কার্যত স্বীকার করেছেন ইন্ডিয়া (ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টাল ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স) জোটের নেতারা। যদিও রাজনৈতিক মহল এও মনে করছে যে, সম্পূর্ণ কৌশলগত কারণেই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে।

নিয়মানুযায়ী, প্রস্তাবের সঙ্গে সহমত থাকলে সাংসদদের উঠে দাঁড়াতে বলা হব। যদি দেখা যায় অন্তত ৫০ জন সাংসদ প্রস্তাবের স্বপক্ষে নেই, তবে সেই মুহুরতেই প্রস্তাব বাতিল হয়ে যাবে। সংসদে অনাস্থা প্রস্তাবের ক্ষেত্রে এমনটাই সম্ভাবনা রয়েছে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

মণিপুর ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিবৃতি দাবি করেছে বিরোধীরা। কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী গতকাল এই বিষয়ে বলেছেন, “মণিপুর ইস্যুতে সরকার বিরোধী দলগুলোর দাবি মেনে না নেওয়ায় অনাস্থা প্রস্তাবে আসা ছাড়া আমাদের আর কোনও উপায় থাকবে না।” পাল্টা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী কটাক্ষ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং বিজেপির উপর আস্থা আছে মানুষের। গতবারও অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছিল। দেশবাসী তাঁদের শিক্ষা দিয়েছিলেন।”
জল্পনায় সিলমোহর, সংসদে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনল INDIA




