নজরবন্দি ব্যুরোঃ দিন কয়েক আগেই কাঁকিনাড়ায় বোমা বিস্ফোরণে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানুতোর শুরু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নৈহাটির শিবদাসপুরে বোমাবাজির ঘটনায় মৃত্যু হল এক তৃণমূল কর্মীর। নৈহাটিতে গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু, নিহত ব্যক্তির নাম জাকির হোসেন। রাতেই কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে জাকিরের চিকিৎসা করা হয়। তাঁর বুকে, পেটে ও হাতে গুলি লাগে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুনঃ Winter Season: কবে থেকে জাঁকিয়ে পড়বে শীত, কি বলছে আবহাওয়া দফতর ?


স্থানীয় সূত্রে খবর, স্থানীয় চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন জাকির হোসেন ও ইউসুফ আলি মণ্ডল সহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি। সেই সময়ে বাইরে করে উপস্থিত হয় ৪ থেকে ৫ জন দুষ্কৃতি। প্রথমে কয়েক রাউণ্ড গুলি চলার পর বমাবাজি শুরু হয়। তৃণমূলের দাবি, আহত ৩ জনের মধ্যে ২ জন তৃণমূল কর্মী। বোমার আঘাতে গুরুতর জখম জন ২ জন।
জানা গিয়েছে, দুই রাউণ্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতিরা। যার জেরে বুকে ও হাতে গুলি লাগে তাঁর। ঘটনার পর থেকেই গোটা এলাকা থমথমে। ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়েছে শিবদাসপুর থানার পুলিশ। যদিও এখনও অবধি এই ঘতনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। কিন্তু বারবার গুলি চালানোর ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে নিরাপত্তা নিয়ে।

পুলিশের দাবি, ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকেই এই হামলা চালানো হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই হামলা চালানো হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পরেও বাঁচানো যায়নি জাকিরকে। এর পিছনে মাদক চক্রের কারবার যুক্ত রয়েছে? একজন নাবালকের নেতৃত্বে কীভাবে চলল হামলা? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


এই ঘটনায় সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। তাঁর কথায়, নৈহাটি কেন? সারা বাংলায় এই ঘটনা ঘটছে। এই তিন দিনের মধ্যে কাঁকিনাড়া, নৈহাটি এবং নরেন্দ্রপুর দেখলাম। ছোট ছোট বাচ্ছাদের বোমা মারা হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে মৃত ও হামলাকারী তৃণমূল। তৃণমূলের গৃহযুদ্ধের কারোনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলা। একজন নাবালকের সঙ্গে পুস্তক থাকার কথা, এখন বোমা রয়েছে। এখন রাজ্য সরকার বোমা শিক্ষা চালাচ্ছে।
নৈহাটিতে গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু, ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে

সিপি(আই)এম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, দুষ্কৃতিরা মনে করছে এটা আমাদের রাজত্ব, এটা আমাদের সরকার, এটা আমাদের পুলিশ। দুষ্কৃতীদের মাথার ওপর হাত পুলিশের। পুলিশমন্ত্রী প্রশয়ে এটা কী হচ্ছে? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।







