নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনার এই নয়া প্রজাতি কি ডেল্টার মতোই ভয়ঙ্কর? আমেরিকা, ব্রিটেন-সহ গোটা বিশ্বে উর্ধ্বমুখী ওমিক্রন (Omicron) গ্রাফ। ভারতেও একই অবস্থা। করোনার এই নয়া প্রজাতি কতটা ভয়ঙ্কর তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্য়ে যখন ঘুরপাক খাচ্ছে একের পর এক প্রশ্ন তখন আশার আলো দেখালেন ইজরায়েলের চিকিৎসক আফসাইন এমরানি।
আর পরুনঃ বাংলার ক্রিকেটে করোনা হানা, আক্রান্ত কোচ সহ ৭ জন


এমরানি ট্যুইট করে জানান, “ওমিক্রন (Omicron) আসলে একটি ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিন কোনও সংস্থা বানাতে পারেনি। অক্সিজেন লাগে না, সঙ্কট নেই, হাসপাতালের প্রয়োজন কম। এটা তৈরি করবে গণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ডেল্টার জায়গা নিয়ে নেবে ওমিক্রন (Omicron)। ৮-১২ সপ্তাহের মধ্যে গোটা বিশ্বে টিকাকরণ হয়ে যাবে। আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রকৃতির কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। এটা আসলে একটা আশীর্বাদ”।
কলকাতার বহু চিকিৎসক আফসাইন এমরানির সঙ্গে একমত। কোভিড বিশেষজ্ঞ যোগীরাজ রায় বক্তব্য, ওমিক্রন (Omicron) একটা মাইল্ড ডিজিজ। ডেল্টায় আক্রান্তের সংখ্যার ভাগ অনেকটাই বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণত ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্য়ে শরীরে অক্সিজেন কমতে থাকে। ফলে আরও দু’সপ্তাহের মধ্য়ে বোঝা যাবে এই সার্জটাও অক্সিজেন কমিয়ে দিচ্ছে কি না।
যদি অক্সিজেন কমে না যায় এবং ওমিক্রন দিয়েই সবার কোভিড হয়ে যায়, তবে একটা ইমিউনিটি পেয়ে যেতে পারে সবাই। কোভিড হলে সবার শরীরে রিয়েল ইমিউনিটি তৈরি হয় সঙ্গে সবারই ভ্যাকসিন নেওয়া। ফলে মিশ্র ইমিউনিটি তৈরি হলে, এর থেকে ভাল আর কিছু নেই।


ডাক্তার সায়ন চক্রবর্তী ওমিক্রনে (Omicron) আক্রান্তদের চিকিৎসা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় যা দেখা গিয়েছে তা থেকে বলা যায়, ডেল্টা অনেক বেশি ভয়ঙ্কর এবং তখন আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি ছিল। সাধারণ সর্দি, কাশি, জ্বরের মতো মৃদু উপসর্গ থাকছে ওমিক্রনে, তাই এর ভয়াবহতা অনেকটাই কম।
ডেল্টার মতো ক্ষতিকর নয় ওমিক্রন, ভরসা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা

কেবল আমরা নই, বিদেশি রিপোর্টও তাই বলছে। চিকিৎসক শাশ্বতী সিনহা বক্তব্য, তিনি এখনও পর্যন্ত চারজন ওমিক্রনে আক্রান্তদের চিকিৎসা করছেন। সকলের উপসর্গ মৃদু। কাশি, সর্দি, জ্বর এমন মৃদু উপসর্গ থাকছে। ক্রিটিক্যাল কিছু হয়নি। বিদেশি রিপোর্টও বলছে, ওমিক্রন মৃদু উপসর্গযুক্ত তবে ছড়ায় তাড়াতাড়ি। দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় ডেল্টায় ভয়ঙ্কর রূপ সবারই চোখে পড়ার মত। সেই তুলনায় ওমিক্রন অনেকটাই কম ভয়ঙ্কর।








