নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিশ্বজুড়ে হুহু করে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। করোনাভাইরাসের এই ভেরিয়েন্টের হাত ধরেই তৃতীয় ঢেউ ঢোকার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে ভারতেও। পশ্চিমবঙ্গে আজই ঘোষণা করা হয়েছে একাধিক সতর্কবানী। জারি করা হয়েছে নাইট কার্ফু সহ একগুচ্ছ বিধি নিষেধ। এই যখন পরিস্থিতি তখনই আশার কথা শোনালেন চিকিৎসকরা। জানা গেল ওমিক্রন আসলে আশীর্বাদ!
আরও পড়ুনঃ Covid19: তৃতীয় ঢেউ ঠেকানোর চেষ্টা, ট্রেনের সময়সীমা পরিবর্তন করল কলকাতা মেট্রো।
কিছুদিন আগেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নাড়িয়ে দিয়েছিল বিশ্বকে। কার্যত মড়ক দেখা দিয়েছিল বিশ্ব জুড়ে। লাখো মানুষের প্রান কেড়েছিল করোনা ভাইরাসের ডেল্টা ভেরিয়েন্ট। তাই সাধারণের মনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল ওমিক্রন কি ডেল্টার মতই ভয়ঙ্কর? সাধারণ মানুষের মধ্য়ে যখন এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তখন আশার বাণী শোনালেন ইজরায়েলের চিকিৎসক আফসাইন এমরানি।
ট্যুইটারে এমরানি লেখেন, “ওমিক্রন (Omicron) আসলে একটি ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিন কোনও সংস্থা বানাতে পারেনি। অক্সিজেন লাগে না, সঙ্কট নেই, হাসপাতালের প্রয়োজন কম। এটা তৈরি করবে গণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ডেল্টার জায়গা নিয়ে নেবে ওমিক্রন (Omicron)। ৮-১২ সপ্তাহের মধ্যে গোটা বিশ্বে টিকাকরণ হয়ে যাবে। আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রকৃতির কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। এটা আসলে একটা আশীর্বাদ”।
কলকাতার চিকিৎসকরা এমরানির কথাকে সমর্থন করেছেন, তাঁরা বলছেন ওমিক্রন (Omicron) একটা মাইল্ড ডিজিজ। আমাদের এখানে বেশির ভাগই ডেল্টায় আক্রান্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণত ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্য়ে শরীরে অক্সিজেন কমতে থাকে। ফলে আরও দু’সপ্তাহের মধ্য়ে বুঝতে পারব এই সার্জটাও অক্সিজেন কমিয়ে দিচ্ছে কি না।
ওমিক্রন আসলে আশীর্বাদ, এই ভেরিয়েন্টকে প্রাকৃতিক ভ্যাকসিন বলছেন চিকিৎসকরা!

যদি অক্সিজেন কমে যাওয়ার দিকে না যায় এবং ওমিক্রন দিয়েই সবার কোভিড হয়ে যায়, তবে আমারা একটা ইমিউনিটি পেয়ে যেতে পারি। কোভিড হয়ে সবার শরীরে রিয়েল ইমিউনিটি তৈরি হয় এবং আমরা ভ্যাকসিন পেয়েছি। ফলে মিশ্র ইমিউনিটি তৈরি হলে, এর চেয়ে ভাল আর কী হতে পারে।



