নজরবন্দি ব্যুরোঃ পয়গম্বর মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দেশজুড়ে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। শুধুমাত্র তাই-ই নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও মুখ পুড়েছিল ভারতের। সেই নুপুর শর্মার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানান হয়েছে, সারা দেশের কাছে নুপুর শর্মাকে ক্ষমা চাইতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দেশজুড়ে যে ঘটনা ঘটেছে তার জন্য একমাত্র নুপুর শর্মা দায়ী।
আরও পড়ুনঃ Covid19 Vaccine: ভ্যাকসিন দিলেন একজন পুরুষ, টিকাকর্মীর নাম লেখা ঝর্ণা সরকার।
এদিন বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়েছেন, আমরা বিতর্ক সভাটি দেখেছি। যেভাবে তিনি এই সমস্ত কথা বলেছেন, পরে নিজেকে আইনজীবী বলেছেন, এটা লজ্জাজনক। সারা দেশের কাছে তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। সুপ্রিম কোর্টের কাছে নুপুর শর্মার আইনজীবী বলেন, তাঁকে প্রতিদিন প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তখন আদালতের তরফে বলা হয়, তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন নাকি তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে? এই মহিলা দেশের মানুষের আবেগকে অমর্যাদা করেছেন। দেশে যে ঘটনা ঘটেছে তার জন্য একা তিনি দায়ী।

এদিন আদালতের তরফে বলা হয়েছে নুপুর শর্মা একজন অহংকারী এবং অনড় চরিত্র। নিজের একটি দলের মুখপাত্র হয়ে নিজেকে কি মনে করছেন? তিনি মনে করছেন তাঁর পিছনে শাসক বল রয়েছে। তিনি যে কোনও মন্তব্য করতে পারেন! তখন নুপুর শর্মার আইনজীবী বলেন তিনি শুধুমাত্র অনুষ্ঠানে পরিচালকের উত্তর দিচ্ছিলেন।
পরিবরতে আদালতের তরফে বলা হয়, তাহলে পরিচালনার দায়িত্বে যিনি ছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা প্রয়োজন? তখন আইনজীবীর প্রশ্ন, দেশের মানুষের বাক স্বাধীনতা নেই? পরে বিচারপতি বলেন, বলার অধিকার সকলের রয়েছে। গণতন্ত্রে ঘাসের বৃদ্ধির ক্ষমতা রয়েছে। গাধার ঘাস খাওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে কোনও কিছু না ভেবে মন্তব্য করা ঠিক নয়।
নুপুর শর্মাকে ক্ষমা চাইতে হবে, কড়া পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের

গত কয়েকদিন ধরেই নুপুর শর্মার মন্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা দেশ। যার প্রভাব পড়েছিল বাংলাতেও। হাওড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদের একাধিক জায়গায় দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে ইন্টারনেট পরিষেবা। এমনকি আন্তর্জাতিক মহলেও বারবার কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে সরকারকে।



