নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২১ এর নির্বাচনের আগে বাংলার মানুষ সাক্ষী থাকছে কীভাবে রাজনীতির স্লোগান পৌঁছে যাচ্ছে খাবারের থালায়। এবার থেকে বাংলার মানুষের শেষ পাতে থাকবে “খেলা হবে’ সন্দেশ। তৃনমূলের তরফ থেকে এই স্লোগান ওঠার পর থেকেই তার অর্থ নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে বিরোধী মহলে। কিন্তু ‘খেলা হবে’ এই মুহুর্তে বাংলার সবথেকে চর্চিত এবং বিতর্কিত স্লোগান। ফ্লেক্স, ব্যানার, পোস্টার, দেওয়াল লিখন এসব ছাড়িয়ে কয়েকদিন আগে খেলা হবে উঠে এসেছিল টি-শার্টে। এবার পৌঁছে গেল বাঙালির ঘরের টেবিলেও।রাজনীতির ‘সন্দেশ’! এবার শেষ পাতেও ‘খেলা হবে’ মিষ্টি।
আরও পড়ুনঃ মতুয়া আবেগ কাজে লাগাতে মোদীর বাংলা ভোটের তাস বাংলাদেশ!
আর রাজনীতির এই ‘খেলা হবে’ সন্দেশকে টেবিল পর্যন্ত পৌঁছে দিচ্ছেন রিষড়ার ফেলু মোদক। মিস্টির জগতে বরাবর বিভিন্ন স্বাদের মিস্টি বানিয়ে বারবার মন জয় করেছে এলাকাবাসীর। এবার বানিয়ে ফেলেছে নরম পাকের ‘খেলা হবে’ সন্দেশ। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে এতে আরও বেশি চর্চায় থাকবে এই স্লোগান। এমনিতেই রাজনীতির সঙ্গে খাদ্যাভাস এবং তালিকা বরাবর ওতোপ্রেত ভাবে জড়িয়ে। সেদিক থেকে ফেলু মোদকের এই সৃষ্টি বেশ মন কাড়বে সকল স্তরের মানুষের।
তবে ফেলু মোদকের তরফে জানানো হয়েছে ‘খেলা হবে’ রাজনৈতিক স্লোগান হলেও এই মিষ্টির মধ্যে কোন রাজনীতির স্বাদ নেই। বরং এই মুহুর্তে খেলা হবে যথেষ্ট জনপ্রিয়। তাই তাঁরা মিস্টিতে এনেছেন এই নতুনত্ব। ফেলু মোদকের কর্ণধার অমিতাভ দে জানিয়েছেন, মোট ৩ রকমের ‘খেলা হবে’ সন্দেশ বানাচ্ছেন তাঁরা। নরম পাকের এই সন্দেশের সাথে জুড়ে আছে চকোলেট। যা মুখে দিলেই পরম তৃপ্তি মিলবে বলে দাবি অমিতাভের। একটি সন্দেশ হচ্ছে একেবারে সাদা নরম পাকের। মাঝে চকোলেট দিয়ে লেখা থাকবে ‘খেলা হবে’। একটি সন্দেশ আবার নরম পাকের কমলা রঙের। যার মাঝে সাদা অংশে লেখা থাকবে ‘খেলা হবে’। একটা সন্দেশ আবার সবুজ রঙের। যার মাঝে চকোলেট দিয়ে লেখা থাকছে ‘খেলা হবে’। এছাড়া স্ট্রবেরী, ম্যাঙ্গো ও চকোলেট ফ্লেভারের আলাদা আলাদা করে সন্দেশ বানানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
রাজনীতির ‘সন্দেশ’! এবার শেষ পাতেও ‘খেলা হবে’ মিষ্টি। অর্থাৎ মানুষের চাহিদার সঙ্গে নতুনত্বের মেলবন্ধন ঘটিয়ে এই উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁরা। তবে মিস্টির গঠনে বা ফ্লেভারে নয়, চমক আছে দামেও। নরম পাকের এই সন্দেশের দাম শুরু হবে ৪০ টাকা থেকে। সবচেয়ে বেশি দামের মিলবে মাত্র ১০০ টাকায়। ৪০, ৫০,৭০ ও ১০০ টাকার এই সন্দেশের ব্যাপক চাহিদা হবে বলে মনে করছেন মিষ্টি প্রস্তুত কারী সংস্থার।



