নজরবন্দি ব্যুরোঃ হার্ট ভাল রাখতে কী না করেন আপনি? খাবার দাবারে নিয়ন্ত্রণ করেন। তার সঙ্গে রয়েছে নানা রকম ওষুধ। কিন্তু জানেন কি, শুধুমাত্র ওষুধ খেয়েই হার্ট সুস্থ রাখতে পারবেন না আপনি? হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত কয়েকটা এক্সারসাইজ করা একান্ত জরুরি। এছাড়া হার্ট অ্যাটাকের সঙ্গে জড়িত ঝুঁকিগুলো যেমন – রক্তচাপ, কোলেস্টেরল এবং ডায়াবেটিসের মতো সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এ ব্যায়াম করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ ঘনিষ্টমহলের ২২ জনের জবানবন্দী নিল সিবিআই, চাপ বাড়ল অনুব্রতর
শরীর সুস্থ রাখতে হলে শুধু খাবার আর ওষুধ খেলেই হবে না। শরীর সুস্থ রাখতে হলে দরকার নিয়মিত ব্যায়াম। প্রত্যেকদিন নিয়ম করে কিছুক্ষণ ব্যায়াম করলে আমাদের অসুখের পরিমান করে যায়। আমরা অনেক বেশি সুস্থ থাকি। নিয়মিত ব্যায়াম আমাদের শরীরকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। অনেক কঠিন অসুখও সেরে যায় এই ব্যায়ামের মাধ্যমেই। যেমন, নিয়মিত ব্যায়াম করলে আমাদের হৃদপিণ্ড সুস্থ থাকে। হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন অসুখও সেরে যায়।

১) অ্যারোবিক এক্সারসাইজ- নিয়মিত অ্যারোবিক এক্সারসাইজ অর্থাৎ, রোজ কিছুটা সময় দৌড়ানো, জগিং করা বা সাঁতার কাটতে পারেন, সাইকেল চালানো ইত্যাদি।। রক্তচলাচল অনেকটাই ভাল হয়। হার্টের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
২) স্ট্রেচিং- হৃদয়কে সুস্থ রাখতে হলে স্ট্রেচিং খুবই কার্যকরা একটি ব্যায়াম। হ্যামস্ট্রং স্ট্রেচ, কোয়াড্রিসেপস স্ট্রেচ, নি পুল, গ্রোইন স্ট্রেচ নিয়মিত অভ্যাস করলে আমাদের হার্ট সুস্থ থাকে।
৩) যোগাসন- শরীরকে সুস্থ রাখতে, রোগমুক্ত রাখতে যোগাসনের কোনও বিকল্প নেই। নিয়মিত যোগাভ্যাস আপনাকে রোগমুক্ত শরীর দিতে পারে।
৪) এক্সারসাইজ- হার্ট সুস্থ রাখতে এক্সারসাইজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন সকালে এক ঘণ্টা ধরে ডিপ ব্রীদিং ব্যায়াম করলে হার্টের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। সঠিক নিয়ম মেনে কীভাবে করা উচিত তা বিশেষজ্ঞের থেকে জেনে তবেই করতে হবে। এসব ব্যায়াম ও যোগাসন করার পাশাপাশি সুষম আহার গ্রহণ অত্যন্ত প্রয়োজন।
হৃদপিণ্ডকে ঠিক রাখতে ওষুধ নয়, শুধু ব্যায়াম করলেই সুস্থ থাকবে হৃদয়

এছাড়া ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন করা, উশৃঙ্খল জীবনযাপন করা থেকে বিরত থাকা, বাইরের জাঙ্কফুড ও ফাস্টফুড না খাওয়া এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন করা জরুরি। তবেই শরীর ও হার্ট সুস্থ রাখা যাবে। তবে মাথায় রাখবেন, এসব নিজে নিজে করতে যাবেন না। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার পর ব্যায়াম বা যোগ করা উচিত।



