কুশল দাসগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ বেড পাওয়া নিয়ে সমস্যায় কোভিড রোগীরা। নতুন সমস্যা শিলিগুড়িতে। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা আর সেই সাথে বেড়েই চলেছে নানান সমস্যা। হাসপাতালের বেড পাওয়া নিয়ে নতুন ঝামেলাতে পড়েছে শিলিগুড়ি। রোজরোজ একই ঘটনায় বিব্রত শিলিগুড়ি শহরের মানুষজন। শিলিগুড়িতে রোজই বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। রোজ পঞ্চাশ থেকে ষাট জন আক্রান্ত হচ্ছেন উত্তরের শহরে।
আরও পড়ুনঃ এবার কৃষ্ণনগর ও চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পূজোর উপর বিধিনিষেধ আরোপ করল রাজ্য প্রশাসন।
শিলিগুড়ির দিশান এবং চ্যাং এ কোন জায়গা না থাকায় সমস্যা বেড়েই চলেছে রোজই। বেশীরভাগ রোগিই হোম আইসোলেসনে থাকছেন। কারন অন্য কোন উপায় নেই। বলে জানাচ্ছেন ডাক্তারেরাও। শিলিগুড়ির বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে বেড়েই চলেছে করোনা।বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে আক্রান্তের সংখ্যা একশো ছাড়িয়েছে। কোন উপসর্গ ছাড়াই পজিটিভ হয়ে যাওয়াতে আরো সমস্যাতে ডাক্তার এবং সাস্থ্য কর্মীর।
পুজোর পর থেকে শিলিগুড়ি হাসপাতালে করোনা পরিক্ষা করাতে আসছেন গড়ে প্রায় তিনশো জন। শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গে একলাফে অনেকটাই বেড়ে গেছে করোনা আক্রান্তের পরিমান।শিলিগুড়ির পাশাপাশি জলপাইগুড়িতেও বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা।প্রচুর মানুষ নিজেই সেচ্ছায় হোম আইসোলেসনে চলে গেছেন। শিলিগুড়ির বিভিন্ন এলাকায় আসনন দীপাবলী এবং ভাইফোটার সময় যাতে মানুষ বেশী ভীড় না করেন তা দেখছে প্রশাসন।
ছয় মাস পার হয়ে গেলেও এখনো সংক্রমনের হার না কমায় নতুন করে চিন্তায় শিলিগুড়ির মানুষ।তার উপরে সামনে শীত থাকায় আশঙ্কা আরো বেড়ে গেছে মানুষের। তবে ডাক্তারেরা জানিয়েছেন করোনার জোর অনেকটাই কমে এসেছে। সময়মত পরীক্ষা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা করালে মানুষ সুস্থ হয়ে যাবেন। শুধু দরকার মাস্ক পড়া এবং সানেটাইজেসন করা।
বেড পাওয়া নিয়ে সমস্যায় কোভিড রোগীরা। নতুন সমস্যা শিলিগুড়িতে। দুর্গোপুজো যেতেই শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে কোভিড টেস্টের জন্য ভিড় বেড়েছে মানুষের।সামান্য সর্দি কাশি কিংবা করোনার প্রাথমিক উপসর্গ থাকলেই আরটিপিসিআর ও র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের ফিভার ক্লিনিকে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। অনেকেই সর্দি কাশির উপসর্গ নিয়ে আসছেন।পাশাপাশি অন্যান্য রোগও রয়েছে অনেকের।কো-মর্বিডিটি নিয়ে আসা রোগীদের প্রথমেই আরটিপিসিআর টেস্টের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের সুপার ডঃ অমিতাভ মণ্ডল বলেন, প্রতিদিন প্রায় একশোর কাছাকাছি নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।কোনওদিন তারও বেশী।তবে এখন আবহাওয়া বদলের জন্য অনেকেরই জ্বর,সর্দি,কাশি হচ্ছে। সেকারণে ফিভার ক্লিনিকে ভিড়ও বাড়ছে রোগীদের।রোজ প্রায় ফিভার ক্লিনিকে ৮০ জন রোগী আসছেন।



