নজরবন্দি ব্যুরোঃ সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। নির্ভাচনের মুখে প্রাক্তন মন্ত্রী-সহ ১৫ জন নেতাকে বহিস্কার করলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার। মঙ্গলবার বহিস্কারের কথা ঘোষণা করা হত জনতা দলের তরফে। জানা গেছে, দলবিরোধী কাজের জেরেই বহিস্কার করা হয়েছে জনতা দলের প্রাক্তন মন্ত্রী সহ নেতাদের। বহিস্কৃতদের তালিকায় নাম রয়েছে বিহারের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দাদান সিং যাদব, রামেশ্বর পাসওয়ান, ভগবান সিং কুশওয়া, কাঞ্চন কুমারী গুপ্তা, রণবিজয় সিং-এর।
আরও পড়ুনঃ দুর্গা পুজোর আগে লোকাল ট্রেন চলার সম্ভাবনা কী আছে? কি বলছে রেল কর্তৃপক্ষ জানুন।


এছাড়াও রয়েছে প্রাক্তন ও বর্তমানের একাধিক বিধায়কের নাম। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বেশ কিছুদিন যাবৎ দলের নেতা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দল বিরোধী কাজ করার অভিযোগ সামনে আসছিল। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এদিন তাদের বহিস্কার করা হয়। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে যাতে দলের উপর কোন প্রভাব না পরে সেই কারনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। গত সোমবার বিহারে বিজেপির পার্টির ন’জন নেতাকে ৬ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়।
বিজেপির সভাপতি সঞ্জয় জয়সওয়ালের তরফে বহিস্কৃত নেতানেত্রীদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে বলা হয়েছে, “আপনারা এনডিএ-এর প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়িয়েছেন। ফলে বিজেপি পার্টিও ও এনডিএ-এর ভাবমুর্তিতে প্রভাব পরেছে। দলের আদর্শ বিরোধী কাজের জন্য আপনাদের ৬ বছরের জন্য ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হল। বিজেপির বহিষ্কৃতদের মধ্যে নাম রয়েছে রাজেন্দ্র সিং, রামেশ্বর চৌরাসিয়া, উষা বিদ্যার্থী, অনিল কুমার, শ্বেতা সিং-এর মত প্রভাবশালী নেতৃত্বদের।
উলেখ্য, চলতি মাসের ২৮ তারিখ থেকে বিহারে তিন দফায় নির্বাচন শুরু হবে। সামনে সময় খুবই কম। তাই শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছে জোরকদমে। নির্বাচন প্রসঙ্গে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের ছেলে তেজস্বী যাদব বলেন, “এবারের নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না বাবা, তাঁর দক্ষতা ও উপস্থিতির অভাববোধ করছি। দলের প্রার্থীদের উজ্জীবিত করানোর ক্ষেত্রে বাবার দক্ষতা এবার ব্যবহার করা যাবে না। তাই দলের অন্য নেতাদের কাছে আমার অনুরোধ, তারা যাতে প্রচারের কাজে আরও বেশি মননিবেশ করেন।









