আনলক পর্বে এবার খুলে গেলো নিকো পার্ক, পুজোর মুখে খুশি দর্শক থেকে কর্তারা

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: আনলক পর্বে এবার খুলে গেলো নিকো পার্ক, পুজোর মুখে খুশি দর্শক থেকে কর্তারা ।করোনা বাধা কাটিয়ে রেস্তোরাঁ জিমের পর এবার খুলে গেলো সিনেমা হল ও বিনোদন পার্ক।সিনেমা হলে দর্শক ধারণের ৫০ শতাংশ দর্শক এর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।পঞ্চম দফা লকডাউন এ কলকাতার অন্যতম বড় বিনোদন পার্ক নিকো পার্ক খুলে গেলো কেন্দ্রের গাইডলাইন মেনে।দেশে লকডাউন চালুর পর থেকে সেই ২২ মার্চ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল নিকো পার্ক। গত সেপ্টেম্বরেই কলকাতার একাধিক বিনােদন পার্ক খােলার আবেদন জানিয়েছিলেন কর্তৃপক্ষরা।

আরও পড়ুনঃফের করোনা হানা কোলকাতা পুরসভায়, আক্রান্ত চার জন।

তবে এই ধরনের বিনােদন পার্কে যেহেতু রেস্তোরাঁ, ব্যাঙ্কোয়েট হল, ওয়াটার পার্ক, রাইডস সবই থাকে তাই কোভিড সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পার্ক খােলায় অনুমতি পাওয়া যায়নি।নিকো পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গতকাল থেকেই পার্কের স্যানিটাইজেশনের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল। সমস্ত রাইডস স্যানিটাইজ করা হয়েছে। পার্কে আসা লােকজনের হাতেও স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে। তবে পার্ক খুললেও কিছু নিয়ম মানতে হবে লােকজনকে। যেমন, ফেস-মাস্ক বাধ্যতামূলক।পারস্পরিক দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে। পার্কে ঢােকার মুখে হ্যান্ড-স্যানিটাইজার দেওয়া হলেও সঙ্গে করে স্যানিটাইজার নিয়ে যেতে হবে।

দীর্ঘ লকডাউনে বিপুল ক্ষতির মুখােমুখি হতে হয়েছে। তবে সরকারি সিদ্ধান্তে পার্ক খুলে যাওয়া কর্মচারীদের মুখে হাসি ফুটেছে। কিছুটা হলেও বিশ্বাস ফিরে এসেছে,বলেছেন নিকো পার্কের সিইও ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর অভিজিৎ দত্ত। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সবরকম সুরক্ষাবিধি মেনে চলছি। পার্কের মূল প্রবেশপথে থার্মাল স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। ভেতরে ঢােকার আগে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হবে। মাস্ক পরেই ঢােকা যাবে পার্কে। স্যানিটাইজার দেওয়া হবে যাঁরা ভিতরে ঢুকবেন। সােশ্যাল ডিস্টেন্সিংয়ের নিয়ম মেনে চলা হবে।’ আজ সকালে পার্ক খােলার পরে খুব বেশি লােকজন দেখা যায়নি। অভিজিতবাবু বললেন,এখনও ভয় আর আতঙ্ক সকলের মধ্যেই রয়েছে।

আনলক পর্বে এবার খুলে গেলো নিকো পার্ক, পুজোর মুখে খুশি দর্শক থেকে কর্তারা । বর্তমানে করােনা যে ভাবে ছড়াচ্ছে,তাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিনােদন পার্ক নিয়ে কোনও চিন্তা আসাই স্বাভাবিক। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে অনেক প্রয়ােজনীয় পরিষেবাই এখন বন্ধ। এই পরিস্থিতিতে কতজন বিনােদন পার্কে আসবেন সে নিয়েও প্রশ্ন থেকেই যায়। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। এতদিন পার্ক বন্ধ থাকায় আয়ের খাতা প্রায় শূন্য। অথচ রাইডগুলির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয়েছে। পার্কের পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটাইজ করার কাজেও খরচ হয়েছে বেশি। তাছাড়া এতদিন পার্ক বন্ধ থাকার কারণে কর্মচারীরাও হতাশায় ভুগছিলেন। আজকের পর থেকে তাঁদের মনেও একটা আশা তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন অভিজিতবাবু।কলকাতার অন্যতম এই বড় পার্ক খোলা সকলের কাছেই বেশ আনন্দদায়ক।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর