শরীরজুড়ে অসংখ্য় ক্ষত!! একা সঞ্জয় রায়ের পক্ষে এই নারকীয় অত্য়াচার কার্যত অসম্ভব। আরজি কর হাসপাতালে, নিহত চিকিৎসকের শরীরে অত্য়াচারের ভয়াবহতা দেখে, এমনই মত ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের। এটা দু থেকে তিনজনের কাজ হতে পারে! আর তাই এই অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে কর্মবিরতির ডাক দেয় জুনিয়র চিকিৎসকরা। ‘চিকিৎসকদের মর্যাদাকে সম্মান দেয় সরকার’, কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আবেদন স্বাস্থ্যসচিবের। দেখা যাচ্ছে রাজ্যজুড়ে রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের আন্দোলনে পরিষেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই রাজ্যজুড়ে চিকিৎসা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে’, কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আবেদন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমের। আর এই আবহেই আরজি কর-কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
জানা গেছে, আরজি কর-কান্ডের সংবাদপত্রের রিপোর্ট দেখেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এই নিয়েই রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজি কে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। আর এই সব রিপোর্ট সত্যি হলেই ওই মহিলা চিকিৎসকের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলেই মনে করা হবে। এমনটাই জানিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। মুখ্যসচিব ও ডিজি কে পাঠানো চিঠিতে কমিশন লিখেছে ২ সপ্তাহের মধ্যেই এই এই ঘটনার তদন্তে কি রিপোর্ট উঠে আসছে? কতটা তদন্ত এগিয়েছে? পাশাপাশি যারা অভিযুক্ত তাঁদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানাতে হবে।
এছাড়াও তাঁরা স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে এই ঘটনার একাধিক তথ্যের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে ওই তরুণী চিকিৎসকের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। পাশাপাশি তাঁরা জানতে চেয়েছেন হাসপাতালে এই ধরনের ঘটনা আগামী দিনে যাতে না ঘটে তাঁর জন্য কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজি কে কড়া চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এদিকে আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুন মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে এজেন্সিকেই তদন্তভার তুলে দিল আদালত। পাশাপাশি, এই মামলার কেস স্টাডি কলকাতা পুলিশকে সিবিআই-কে তুলে নিতে হবে আজই। মঙ্গলবার শুনানিতেই এই সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এর ডিভিশন বেঞ্চ।



