নজরবন্দি ব্যুরো: এই কোভিড পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্যের পড়ুয়াদের সুবিধার্থে একাধিক পদক্ষেপ নিতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের শিক্ষা দফতর কে। তাই দীর্ঘ দেড় বছর স্কুল, কলেজ সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি বন্ধ থাকলেও পড়াশোনার মানোন্নয়ন হয়েছে ভালোভাবেই। সেকারনে গতবছরের নভেম্বরেই আন্তর্জাতিক ‘স্কচ’ পুরষ্কারে সম্মানিত হয়েছিল রাজ্যের স্কুল ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।
আরও পড়ুনঃ হু হু করে বাড়ছে করোনা, লকডাউন এবার জয়নগরে
উল্লেখ্য, এই কোভিড পরিস্থিতিতে স্কুল- কলেজ সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিকে বন্ধ রাখা হলেও মিড-ডে মিল চালু ছিল রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। যা নির্দিষ্ট দিনগুলিতে বন্টন করা হয় অভিভাবকদের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের কাছে। এছাড়াও একাধিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে গোটা দেশের একাধিক নামীদামী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় কে পাল্লা দিয়েছে বাংলা। যারফলে সহজেই রাজ্যের হাতে উঠেছিল এই সম্মান।
শুধু শিক্ষা নয়, সেবার রাজ্যের পর্যটন বিভাগের ঝুলিতে ও এসেছিল এই স্কচ পুরস্কার। যা নিয়ে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে সকলের উদ্দেশ্যে জানিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এবার এই করোনা পরিস্থিতিতে ‘ প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা’ র খাদ্য শস্য বিতরনে গোটা দেশের মধ্যে সেরার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।
নতুন বছরে বাংলার মুকুটে নয়া পালক
গতকাল কেন্দ্রের তরফ থেকে জানানো হয় , গত ২০২১ সালের মে মাস থেকে একেবারে নভেম্বর মাস পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পের তৃতীয় ও চতুর্থ পর্বে প্রায় ৯৭ শতাংশ খাদ্যশস্য নাকি বন্টন করেছে রাজ্য। যেটি ওই পর্ব গুলির মধ্যে নাকি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হিসেবেই গন্য। এছাড়াও ৯৮ শতাংশ খাদ্যশস্য বন্টন করে সেই তালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করেছে ছত্তিশগড়।



