নজরবন্দি ব্যুরোঃ তৃতীয় ঢেউ সামলাতে কার্যকরী হতে পারে দেশে তৈরি নেসাল ভ্যাকসিনঃ সৌম্যা স্বামীনাথন। করোনার মারণ কামড়ে আক্রান্ত গোটা দেশ। এরই মধ্যে চিকিৎসামহল আশঙ্কা করছে তৃতীয় ঢেউ এর। যে ঢেউয়ে আগামীদিনে সবথেকে বেশী আক্রান্ত হতে পারে শিশুরা, তেমনই আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। দেশ বিদেশের চিকিৎসামহল বারবার বলছেন করোনার বিরুদ্ধে দীর্ঘকালীন যুদ্ধে জিততে একমাত্র পথ সার্বজনিক টীকাকরণ।
আরও পড়ুনঃ ভোকাল কর্ডে টিউমার, SSKM এ চিকিৎসাধীন ‘রাজনীতির প্লেবয়’ মদন মিত্র।
এমন অবস্থায় আশার কথা শোনালেন WHO-এর প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন। তিনি জানালেন আগামীদিনে করোনার তৃতীয় ঢেউ সামলাতে অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে ভারতে তৈরি নেসাল ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিন শিশুদের সাথে বড়দের উপরেও যথেষ্ট কার্যকারী হবে বলেই মনে করছেন তিনি। তবে সেই ভ্যাকসিন তৈরি হতে এখনও বেশ কিছুটা সময় লাগবে। তার আগে দেশের মানুষের ব্যাপক হারে ভ্যাকসিন প্রদান করতে হবে বলেও জানান তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌম্যা বলেন “এখানে বেশ কয়েকটি সংস্থা নেজাল ভ্যাকসিন বানাতে চলেছে, যা শিশুদের জন্য বিশেষ কার্যকরী হতে পারে। এর কারণ, সেই সমস্ত টিকা বেশ সহজেই ব্যবহার করা যায়।”
এরপরেই তিনি বলেন “একদিন না একদিন শিশুদের জন্য টিকা আসবেই। এ বিষয়ে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত। কিন্তু তা এ বছর কোনওভাবে সম্ভব নয়। কিন্তু ততদিন তো আর স্কুল বন্ধ রাখা যায় না। তাই গোষ্ঠী সংক্রমণ থিতিয়ে গেলে স্কুলের দরজা খুলে দিতে হবে। আর এই সময়ের মধ্যে যদি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভ্যাকসিনেশনের পাট চুকিয়ে ফেলা যায়, তাহলে খুব ভালো হয়। বাইরের প্রতিটি দেশ এভাবেই কাজ করে। তবে হ্যাঁ, সতর্কতা বজা রাখতে হবে।”
তৃতীয় ঢেউ সামলাতে কার্যকরী হতে পারে দেশে তৈরি নেসাল ভ্যাকসিনঃ সৌম্যা স্বামীনাথন। WHO-এর প্রধান বিজ্ঞানীর কথায় আশার আলো খুঁজে পাচ্ছে দেশের চিকিৎসামহল। প্রসঙ্গত গতকাল কেন্দ্রের নীতি আয়োগের তরফ থেকে জানানো হয়েছে তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুরা আক্রান্ত হলেও খুব একটা ভয়ঙ্কর প্রভাব পরবে না তাদের উপর। তবে তৃতীয় ঢেউ সামলাতে দেশকে সর্বতভাবে তৈরি থাকতে হবে সেকথা মানছেন সকলেই।



