মাসের শুরুতেই বঙ্গ সফরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। বাংলায় এসেই শাসক দল তৃণমূলকে একের পর এক শব্দবাণে বিঁধে চলেছেন। শনিবার কৃষ্ণনগরে সভা করেন নরেন্দ্র মোদী। সেখান থেকেই বাংলায় সব আসন পদ্ম ফুল ফোটানোর আবদার রাখলেন সাধারণ মানুষের কাছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৩৫ আসনে জয়ের টার্গেট বেঁধে দিয়েছিলেন। তাঁকে ছাপিয়ে গিয়ে ৪২-এ ৪২ চাইছেন প্রধানমন্ত্রী।



আরও পড়ুন: সুকান্ত-শুভেন্দুর সাথে আলাদা বৈঠক মোদির, বঙ্গ নেতৃত্বের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী
এদিন সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) বলেন, ‘বিজেপি সরকার মানুষের জন্য কাজ করে, এটা মোদীর গ্যারান্টি।’ এরপরই কেবল কৃষ্ণনগরে নয় গোটা রাজ্যে সব আসনে পদ্মফুল ফোটানোর আর্জি জানান। বলেন, আগামী ১০০ দিন সকলের ঘরে ঘরে গিয়ে বলতে হবে, মোদীজি এসেছিলেন, আপনাদের প্রণাম জানিয়েছেন। কয়েক মাস আগেই বাংলায় এসেছিলেন অমিত শাহ। সেইসময়ে তিনি কার্যত দাবি করেছিলেন, ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বাংলায় ৩৫ টি আসন পাবে বিজেপি। ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী টার্গেট বাড়িয়ে দিলেন।



শুক্রবার, মাসের প্রথম দিনেই বাংলায় এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্য এসেই একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানায় এনেছেন। শুক্রবার আরামবাগের সভায় সন্দেশখালি নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মোদী। এদিন কৃষ্ণনগরেও ওই বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘মা, মাটি, মানুষের কথা বলে তৃণমূল মা-বোনেদের ভোট পেয়েছে। কিন্তু এখন তৃণমূলের অত্যাচারে মা, মাটি, মানুষ কাঁদছে। সন্দেশখালির মানুষ বিচার চেয়েছে কিন্তু সরকার তাঁদের কথা শুনছে না।’
৪২-এ ৪২, মোদীর গলায় মমতার সুর, বাংলায় সব আসনে জয়ের প্রতিশ্রুতি নিলেন প্রধানমন্ত্রী

এদিন রথে চেপে কৃষ্ণনগরের সভায় আসেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁর পরনে পাজামা এবং কোট এবং একটি শাল। বাংলায় উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। ‘হরে কৃষ্ণ’ বলে বক্তৃতা শুরু করেন মোদী। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও কৃষ্ণনগরের সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ শান্তনু ঠাকুর।







