শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ ৩ তৃণমূল নেতার সরকারি নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল নবান্ন।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো : শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ ৩ তৃণমূল নেতার সরকারি নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল নবান্ন।নন্দীগ্রাম দিবসে শুভেন্দুর অরাজনৈতিক সভার পরের দিনই তাঁর ঘনিষ্ঠ ৩ নেতার নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিল রাজ্য। তাদের মধ্যে রয়েছেন, মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাপতি মেসারফ হোসেন এবং নন্দীগ্রামেও শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার কারা হয়েছে। নিরাপত্তারক্ষী তুলে দেওয়াতে দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন, মোসারফ সাহেব। আর এই ঘটনাকেই রাজনৈতিক প্রভাবিত বলেই মন্তব্য করেন, রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর।

আরও পড়ুনঃ ফাইজার ভ্যাকসিনের পর সাফল্যের পথে রাশিয়ার ভ্যাকসিন স্পুটনিক ভি।

এদিন মোসারফ সাহেব ছাড়াও নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা আবু তাহের ও মেঘনাথ পালের পুলিশি নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার গোকুলনগরে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ব্যানারে শুভেন্দুর সভার অন্যতম আয়োজক ছিলেন তাঁরা। ছিলেন ওই সভার মঞ্চেও। তবে সেই কারণেই কি তাদের নিরাপত্তারক্ষীদের সরিয়ে নিল রাজ্য? নিরাপত্তা প্রত্যাহারের কথা বুধবারই তাঁদের জানানো হয়। এবিষয়ে তৃণমূল নেতা আবু তাহের সাহেব বলেন, “এটা আমার কাছে দুর্ভাগ্যজনক।

শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ ৩ তৃণমূল নেতার সরকারি নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল নবান্ন। আমি এখনো তৃণমূল ছাড়িনি। এখনো তৃণমূলের সৈনিক। শুভেন্দু অধিকারী এখনো তৃণমূল ছাড়েননি। তাঁকে দল বহিষ্কারও করেনি। বছরে ৪ দিন BUPC করি। বাকি দিন আমাদের হাতে থাকে তৃণমূলের ঝান্ডা”। তবে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর ওই সভার প্রধান আয়োজক ছিলেন, মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাপতি মেসারফ হোসেন। বুধবার তিনি বলেন, “এতবড় জেলার সভাধিপতি আমি। সারা দিন ছুটে বেড়াতে হয়।

সেই জেলার সভাধিপতির নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া দুর্ভাগ্যজনক। আগামী দিনে মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষ আমার পাশে থাকবে। তাঁরাই আমাকে নিরাপত্তা দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যপালকে জানিয়েছি”। ফলে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এইদিন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর টুইটে লেখেন, “এই ঘটনায় রাজ্যপাল টুইটে লিখেছেন, রাজনৈতিক চাপে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাপধিপতির নিরাপত্তা প্রত্যাহার উদ্বেগজনক”।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন