শহরের বুকে রহস্যমৃত্যুর ঘটনা! পাটুলির বিদ্যাসাগর কলোনিতে এক বৃদ্ধার অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল, বিছানায় পাওয়া গেল বালিশ চাপা দেওয়া মৃতদেহ! ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ বৃদ্ধার ছেলে অভিষেক মৈত্র। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
কীভাবে মিলল বৃদ্ধার অগ্নিদগ্ধ দেহ?


পুলিশ সূত্রে খবর: মৃতার নাম: মালবিকা মৈত্র (৭২)। বাসস্থান: কলকাতার পাটুলি বিদ্যাসাগর কলোনি। ছেলের নাম: অভিষেক মৈত্র পেশায় ব্যাংক কর্মী। দেহ
বিছানায় অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল। মুখ থেকে পেট পর্যন্ত বালিশ চাপা দেওয়া ছিল। ফ্ল্যাটের দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল।
সকালে ছেলের অফিস যাওয়ার পর বৃদ্ধা একাই ছিলেন ফ্ল্যাটে। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ প্রতিবেশীরা ধোঁয়া বেরোতে দেখে পুলিশে খবর দেন। দরজা ভেঙে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।
নিখোঁজ ছেলে নিয়ে বাড়ছে সন্দেহ!


ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ অভিষেক মৈত্র। তাঁর মোবাইল সুইচড অফ।
প্রতিবেশীদের মতে, “সকালবেলা অফিসে গেছেন, কিন্তু তারপর তাঁর আর খোঁজ নেই।” পুলিশ প্রাথমিকভাবে খুনের সন্দেহ করছে।
পুলিশ কী বলছে?
তদন্তকারীদের অনুমান: আগুন দুর্ঘটনাবশত নয়, পরিকল্পিত! বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হতে পারে। তারপর দেহ পোড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। পুলিশ এখন নিখোঁজ ছেলের খোঁজ চালাচ্ছে এবং সম্ভাব্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
এই ঘটনায় কী কী প্রশ্ন উঠছে?
ছেলে কোথায়? তিনি কি হত্যাকাণ্ডে জড়িত? বৃদ্ধার মৃত্যু আগুনে নাকি তাকে আগে হত্যা করা হয়েছিল? বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগানো ছিল, তাহলে আগুন লাগল কীভাবে? পুলিশের তদন্ত এগোলে হয়তো এই রহস্যের সমাধান হবে!
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



